Columbus, ০৭ অক্টোবর, ২০২৬
বিজ্ঞাপন 728 × 90
সর্বশেষ খবর
ফ্রেন্ডস অ্যান্ড ফ্যামিলির এজিএম অনুষ্ঠিত, গঠিত হলো নতুন কমিটি অবৈধ করাতকলের দৌরাত্ম্যে বনাঞ্চল ধ্বংসের নীরব মাধ্যম-কতৃপক্ষ নিস্ক্রিয় মৌলভীবাজারে মোবাইল কোর্ট ও উচ্ছেদ অভিযান, ৭টি মামলা পাঠ্যবইয়ের বাহিরে খেলার মাঠে ও থাকছে সমান ভাবে গুরুত্ব; প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বাংলাদেশী নারী হিসেবে এমফিল ডিগ্রী অর্জন করলেন দুর্গাপুরের মুনিরা তাহের বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে কুড়িগ্রামে আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে বিভিন্ন সীমান্তে ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট,প্যান্টপিস ওবিভিন্ন চোরাচালানী মালামালসহ ২ জন আটক সম্পদ সীমিত হলেও শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধায় কার্পণ্য করবে না সরকার: এলজিআরডি মন্ত্রী জনগণের সেবা করাই নির্বাচিত সরকারের প্রধান দায়িত্ব: এলজিআরডি মন্ত্রী নাসিরনগরে স্কুলে অসুস্থ হয়ে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু নওগাঁয় হত্যা মামলায় একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড ভিসা প্রার্থীদের জন্য মার্কিন দূতাবাসের সতর্কবার্তা, প্রতারণা এড়াতে মানতে হবে নতুন নিয়ম বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে বিটিএমএ নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় শিশু অধিকার দিবস ও শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হাওর বেষ্টিত নাসিরনগরে আশ্বিন মাসের কুয়াশা জানান দিচ্ছে আগাম শীতের বার্তা
হোম › আন্তর্জাতিক › কলকাতায় ৯ বাংলাদেশির মৃত্যু, দমকল সদর দপ্তরের পাশের হোটেলেই ছিল না অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা

কলকাতায় ৯ বাংলাদেশির মৃত্যু, দমকল সদর দপ্তরের পাশের হোটেলেই ছিল না অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ০২:২৩ এএম, ১৯ আগস্ট, ২০২৬ 76
কলকাতায় ৯ বাংলাদেশির মৃত্যু, দমকল সদর দপ্তরের পাশের হোটেলেই ছিল না অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা

কলকাতা ভারত ||

ভারতের কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে শিশুসহ ৯ বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় অন্তত ৮ জন আহত হয়েছেন। নিহত ও আহতরা চিকিৎসার জন্য কলকাতায় গিয়েছিলেন বলে জানা গেছে।


বুধবার (১৯ আগস্ট) দিবাগত রাত প্রায় ২টার দিকে পাঁচতলা ভবনের তৃতীয় তলায় থাকা ‘শিখা ইন’ হোটেলে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তেই পুরো হোটেল ঘন ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। অধিকাংশ অতিথি তখন ঘুমিয়ে থাকায় পরিস্থিতি দ্রুত ভয়াবহ হয়ে ওঠে।


দমকল সদর দপ্তরের পাশেই, তবুও ছিল না অগ্নিনিরাপত্তা, সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, হোটেলটি কলকাতার দমকল বাহিনীর সদর দপ্তরের একেবারে পাশেই অবস্থিত। আগুন লাগার পর দমকলের চারটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।তবে হোটেলের এক অতিথি মো. রফিকুল ইসলামের ভাষ্য অনুযায়ী, ভবনটির প্রবেশপথ ছিল সরু ও অপ্রশস্ত এবং সেখানে প্রয়োজনীয় অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না।


ঘনধোঁয়ায় প্রাণহানি

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের বেশিরভাগের শরীরে বড় ধরনের পোড়ার চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, ঘন ধোঁয়ায় শ্বাসরোধ হয়ে তাঁদের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। নিহতদের মধ্যে ছয়জন পুরুষ, দুইজন নারী ও একটি শিশু রয়েছে বলে জানা গেছে।


হোটেল ভবনের বিভিন্ন তলায় বিভিন্ন নামে আরও আবাসিক হোটেল রয়েছে। এলাকাটি বাংলাদেশি রোগী ও তাঁদের স্বজনদের কাছে পরিচিত হওয়ায় সেখানে চিকিৎসার জন্য আসা অনেক বাংলাদেশি অবস্থান করতেন।


আগুনের কারণ নিয়ে তদন্ত

ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক ধারণা, শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে। তবে এসি বিস্ফোরণের সম্ভাবনার কথাও কিছু প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। আগুনের সঠিক কারণ এখনো নিশ্চিত নয়; তদন্ত চলছে।


এই ঘটনায় সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে হোটেলটির অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা ও অনুমোদন নিয়ে। দমকল সদর দপ্তরের এত কাছে থাকা একটি হোটেলেই যদি পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জাম ও নিরাপদ বের হওয়ার ব্যবস্থা না থাকে, তাহলে শহরের অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ হোটেলের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।


চিকিৎসার জন্য কলকাতায় গিয়ে বাংলাদেশি নাগরিকদের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে স্বজন ও বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতদের পরিচয় ও মরদেহ দেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে।


তথ্যসূত্র: ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি |