Columbus, ০৮ অক্টোবর, ২০২৬
বিজ্ঞাপন 728 × 90
সর্বশেষ খবর
ফ্রেন্ডস অ্যান্ড ফ্যামিলির এজিএম অনুষ্ঠিত, গঠিত হলো নতুন কমিটি অবৈধ করাতকলের দৌরাত্ম্যে বনাঞ্চল ধ্বংসের নীরব মাধ্যম-কতৃপক্ষ নিস্ক্রিয় মৌলভীবাজারে মোবাইল কোর্ট ও উচ্ছেদ অভিযান, ৭টি মামলা পাঠ্যবইয়ের বাহিরে খেলার মাঠে ও থাকছে সমান ভাবে গুরুত্ব; প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বাংলাদেশী নারী হিসেবে এমফিল ডিগ্রী অর্জন করলেন দুর্গাপুরের মুনিরা তাহের বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে কুড়িগ্রামে আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে বিভিন্ন সীমান্তে ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট,প্যান্টপিস ওবিভিন্ন চোরাচালানী মালামালসহ ২ জন আটক সম্পদ সীমিত হলেও শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধায় কার্পণ্য করবে না সরকার: এলজিআরডি মন্ত্রী জনগণের সেবা করাই নির্বাচিত সরকারের প্রধান দায়িত্ব: এলজিআরডি মন্ত্রী নাসিরনগরে স্কুলে অসুস্থ হয়ে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু নওগাঁয় হত্যা মামলায় একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড ভিসা প্রার্থীদের জন্য মার্কিন দূতাবাসের সতর্কবার্তা, প্রতারণা এড়াতে মানতে হবে নতুন নিয়ম বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে বিটিএমএ নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় শিশু অধিকার দিবস ও শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হাওর বেষ্টিত নাসিরনগরে আশ্বিন মাসের কুয়াশা জানান দিচ্ছে আগাম শীতের বার্তা
হোম › রাজনীতি › জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সাফল্যে প্রধান উপদেষ্টার অভিনন্দন

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সাফল্যে প্রধান উপদেষ্টার অভিনন্দন

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ১১:২০ পিএম, ০১ নভেম্বর, ২০২৫ 164
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সাফল্যে প্রধান উপদেষ্টার অভিনন্দন

সাফল্যের সঙ্গে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ায় কমিশনের সদস্যদের অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। বৃহস্পতিবার কমিশনের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর এক বার্তায় তিনি এ অভিনন্দন জানান।

চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি দেশে একটি স্থায়ী, জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র কাঠামো গঠনের লক্ষ্যে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের কার্যক্রম শুরু হয়। টানা বৈঠক ও আলোচনার মধ্য দিয়ে কমিশন ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের রূপরেখা তৈরি করে।


প্রধান উপদেষ্টা বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ আমাদের একটি ঐতিহাসিক অর্জন। এটি শুধু আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের পথকে সুগম করবে না, বরং ভবিষ্যতের রাজনৈতিক পথনির্দেশক হিসেবেও কাজ করবে এবং দেশের গণতন্ত্রকে সুসংহত করবে।


তিনি বলেন, জনগণ এখন এমন কিছু পরিবর্তনের প্রত্যাশায় রয়েছে যা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির বিকাশ ঘটাবে, নাগরিক অধিকার ও মর্যাদা রক্ষা করবে এবং দেশে আর কখনো স্বৈরাচারের পুনরাবৃত্তি ঘটতে দেবে না।


ড. ইউনূস বলেন, সবচেয়ে আশার কথা হলো আমরা নিজেরাই এই সংস্কার প্রক্রিয়াগুলো নিয়ে কাজ করেছি, একমত হয়েছি—বাইরের কেউ আমাদের ওপর কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেয়নি। অতীতে বিদেশিরা মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা নিলেও জুলাই গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে সব রাজনৈতিক দল সিদ্ধান্ত নিয়েছে, নিজেদের সংকট নিজেরাই সমাধান করবে। ফলে এবার আমরা বিশ্ববাসীর সামনে একটি ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশের চিত্র তুলে ধরতে পেরেছি।


প্রধান উপদেষ্টা দেশের সব রাজনৈতিক দল ও নেতৃবৃন্দকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, যারা অক্লান্ত পরিশ্রম করে এই সনদ প্রণয়ন সম্ভব করেছেন, তাদের প্রতি আমি জাতির পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা জানাই।


তিনি আরও বলেন, জুলাই সনদ শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, গোটা বিশ্বের জন্যই এক অনন্য দৃষ্টান্ত। পৃথিবীর রাজনৈতিক ইতিহাসে এমন ঐকমত্যের নজির বিরল। ভবিষ্যতে অন্যান্য দেশও সংকটকালে ‘ঐকমত্য কমিশন’ গঠনের কথা বিবেচনা করবে।


প্রধান উপদেষ্টা জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ, সদস্য ড. বদিউল আলম মজুমদার, ড. ইফতেখারুজ্জামান, সফর রাজ হোসেন, বিচারপতি এমদাদুল হক, ড. মোহাম্মদ আইয়ুব মিয়া এবং বিশেষ সহকারী মনির হায়দারকে ধন্যবাদ জানান। তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান, যারা দীর্ঘ আলোচনার পুরো প্রক্রিয়ায় জনগণকে অবহিত রেখেছেন।


ফ্যাসিবাদবিরোধী ঐক্যের গুরুত্ব উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠী এই জাতিকে বিভক্ত করতে সর্বশক্তি নিয়োজিত করেছে। গত ১৫ মাস আমরা তাদের নানা ষড়যন্ত্র ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করেছি। ফ্যাসিবাদকে পরাস্ত করতে হলে, দেশকে রক্ষায় জাতীয় ঐক্য ধরে রাখা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।”


শেষে তিনি বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ নির্মাণে আমাদের সামনে মহা চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা কোনো একক ব্যক্তি, সংগঠন বা সরকারের পক্ষে সম্ভব নয়। এজন্য সকল রাজনৈতিক দল ও পক্ষের মধ্যে ঐক্য বজায় রাখা জরুরি, যত প্রতিকূলতাই আসুক না কেন।