Columbus, ০৮ অক্টোবর, ২০২৬
বিজ্ঞাপন 728 × 90
সর্বশেষ খবর
ঢাকার গণপরিবহন ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সচিবালয়ে বৈঠক যুক্তরাষ্ট্রে হামের ভয়াবহ প্রাদুর্ভাব, নিউইয়র্কে দুর্যোগ জরুরি অবস্থা ঘোষণা স্বাস্থ্যসেবায় ডা. সিনথিয়া তাসমিন দেশে দ্বিতীয়, বিভাগে স্ক্রিনিংয়ে শ্রেষ্ঠ এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বৈষম্য দূর করে জাতীয়করণের দাবি মার্কিন প্রতিনিধি দলের বেনাপোল স্থলবন্দর পরিদর্শন ফ্রান্সের সঙ্গে উন্নয়ন সহযোগিতা আরও জোরদার করতে চায় বাংলাদেশ: এলজিআরডি মন্ত্রী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ অনুসরণ করে শিশুদের সুনাগরিক হওয়ার আহ্বান এলজিআরডি মন্ত্রীর *ধর্ম-বর্ণ-সম্প্রদায় নির্বিশেষে সবার কল্যাণে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী* ভোগডাঙ্গায় ৫নং ওয়ার্ডে ঘরে ঘরে গণসংযোগে মেম্বার পদপ্রার্থী সিরাজুল ইসলাম নয়ন আমাদের সন্তানদের ফাঁসানো হয়েছে;কুষ্টিয়ায় ডিবির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনে পরিবার। শোকের সাত বছর, এখনো শেষ হয়নি বিচার: আবরার ফাহাদের মৃত্যুবার্ষিকীতে পরিবারের অপেক্ষা নওগাঁয় চালকলের বয়লার বিস্ফোরণে এক শ্রমিক নিহত ফ্রেন্ডস অ্যান্ড ফ্যামিলির এজিএম অনুষ্ঠিত, গঠিত হলো নতুন কমিটি অবৈধ করাতকলের দৌরাত্ম্যে বনাঞ্চল ধ্বংসের নীরব মাধ্যম-কতৃপক্ষ নিস্ক্রিয় মৌলভীবাজারে মোবাইল কোর্ট ও উচ্ছেদ অভিযান, ৭টি মামলা
হোম › রাজনীতি › দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীকে নিয়ে জনগণ গর্বিত থাকতে চায়: জামায়াত আমির

দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীকে নিয়ে জনগণ গর্বিত থাকতে চায়: জামায়াত আমির

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ০৩:২৯ পিএম, ১২ অক্টোবর, ২০২৫ 116
দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীকে নিয়ে জনগণ গর্বিত থাকতে চায়: জামায়াত আমির

গুম ও খুনের সঙ্গে জড়িত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কতিপয় কর্মকর্তাকে বিচারের আওতায় আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। 

জামায়াত আমির বলেন, দুঃখজনক হলেও সত্য, এই বাহিনীর কতিপয় সদস্য দেশের বিদ্যমান আইন ও মানবাধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শনে সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছিলেন। 

সেই সঙ্গে এও বলেন, দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীকে নিয়ে বাংলাদেশের জনগণ গর্বিত থাকতে চায়। 


রোববার (১২ অক্টোবর) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে ডা. শফিকুর রহমান এসব কথা বলেন। যা তার দলের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজেও শেয়ার করা হয়।


জুলাই আন্দোলনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে জামায়াত আমির তার পোস্টে বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের প্ররোচনায় প্রতিপক্ষ নিধনের এজেন্ডা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ছিলেন অন্ধ সহযোগী। ফলে গুম এবং খুনের একটি ভীতিকর পরিবেশ দেশে সৃষ্টি হয়েছিল, যা একটি জাতির জন্য খুবই দুর্ভাগ্যের বিষয়। 


‘তবে সুনির্দিষ্ট কয়েকজন ব্যক্তির অপরাধের কারণে পুরো প্রতিষ্ঠানকে কলঙ্কিত হতে দেওয়া যায় না। অপরাধের দায় কেবল সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ওপরই বর্তাবে’, যোগ করেন তিনি। 


সেনাবাহিনীর পদক্ষেপের বিষয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ইতোমধ্যে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে এই বিচারপ্রক্রিয়াকে সহায়তা করার স্পষ্ট ঘোষণা দেওয়া হয়েছে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বাহিনীর হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। আমরা সেনাবাহিনীর এ উদ্যোগকে স্বাগত জানাই।