অনলাইন, ০৭ অক্টোবর, ২০২৬
বিজ্ঞাপন 728 × 90
সর্বশেষ খবর
অবৈধ করাতকলের দৌরাত্ম্যে বনাঞ্চল ধ্বংসের নীরব মাধ্যম-কতৃপক্ষ নিস্ক্রিয় মৌলভীবাজারে মোবাইল কোর্ট ও উচ্ছেদ অভিযান, ৭টি মামলা পাঠ্যবইয়ের বাহিরে খেলার মাঠে ও থাকছে সমান ভাবে গুরুত্ব; প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বাংলাদেশী নারী হিসেবে এমফিল ডিগ্রী অর্জন করলেন দুর্গাপুরের মুনিরা তাহের বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে কুড়িগ্রামে আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে বিভিন্ন সীমান্তে ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট,প্যান্টপিস ওবিভিন্ন চোরাচালানী মালামালসহ ২ জন আটক সম্পদ সীমিত হলেও শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধায় কার্পণ্য করবে না সরকার: এলজিআরডি মন্ত্রী জনগণের সেবা করাই নির্বাচিত সরকারের প্রধান দায়িত্ব: এলজিআরডি মন্ত্রী নাসিরনগরে স্কুলে অসুস্থ হয়ে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু নওগাঁয় হত্যা মামলায় একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড ভিসা প্রার্থীদের জন্য মার্কিন দূতাবাসের সতর্কবার্তা, প্রতারণা এড়াতে মানতে হবে নতুন নিয়ম বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে বিটিএমএ নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় শিশু অধিকার দিবস ও শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হাওর বেষ্টিত নাসিরনগরে আশ্বিন মাসের কুয়াশা জানান দিচ্ছে আগাম শীতের বার্তা ২৬ অক্টোবর চার দিনের সফরে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
হোম › জাতীয় › সংসদ এলাকায় জিয়ার কবর, কীভাবে হয়েছিল এই সিদ্ধান্ত

সংসদ এলাকায় জিয়ার কবর, কীভাবে হয়েছিল এই সিদ্ধান্ত

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ০৬:৫০ এএম, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ 262
সংসদ এলাকায় জিয়ার কবর, কীভাবে হয়েছিল এই সিদ্ধান্ত

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে দাফন করা হয়েছে ঢাকার শেরে বাংলা নগরে তার শহীদ স্বামী জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সেজন্য সংসদ ভবনের কাছে তাকে দাফনের চিন্তাটা করা হয়েছিলো।

বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি এবং মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার জিয়াউর রহমান ১৯৮১ সালের ৩০শে মে চট্টগ্রামে এক সামরিক অভ্যুত্থানে নিহত হওয়ার পর তাকে প্রথমে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার পাহাড় এলাকায় কবর দেওয়া হয়েছিল।

পরে ঢাকায় এনে তৎকালীন শেরে বাংলা পার্কে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে দাফন করা হয়েছিল তখনকার সরকারের উদ্যোগ ও ব্যবস্থাপনায়।


জিয়াউর রহমানকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফনের সিদ্ধান্ত এসেছিল তখনকার অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবদুস সাত্তারের নেতৃত্বাধীন সরকারের দিক থেকেই, বলছিলেন রাজনৈতিক ইতিহাসের গবেষক ও লেখক মহিউদ্দিন আহমদ।


আবদুস সাত্তারের মন্ত্রিসভায় উপমন্ত্রী ছিলেন এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার। জিয়াউর রহমানের জানাজা ও দাফনেও উপস্থিত ছিলেন তিনি।


তিনি বলছেন, প্রস্তাবটা বিচারপতি আবদুস সাত্তারেরই ছিল। কেবিনেট তা সর্বসম্মতিক্রমে চূড়ান্ত করে। পরে সেনাপ্রধান এরশাদও তা সমর্থন করেন। এর কারণ হলো জিয়াউর রহমান যেহেতু বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সেজন্য সংসদ ভবনের কাছে দাফনের চিন্তাটা করা হয়েছিলো।


এখন সেখানেই জিয়াউর রহমানের কবরের পাশেই খালেদা জিযাকে দাফনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে তার দল বিএনপি। অন্তর্বর্তী সরকার জানিয়েছে, তাকে সেখানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হবে।


দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসাধীন থাকার পর মঙ্গলবার সকালে ঢাকার একটি হাসপাতালে মারা যান তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ।


গবেষক মহিউদ্দিন আহমদ বলেছেন, তখন জিয়াউর রহমানকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফনসহ অনেক সিদ্ধান্তই নিয়েছিলো বিচারপতি সাত্তারের অস্থায়ী সরকার। দাফনের জায়গা নির্ধারণও তারাই করেছে।


আর এ বিএম রুহুল আমিন হাওলাদার বলছেন, জিয়াউর রহমানকে সংসদ ভবন এলাকায় দাফনের সিদ্ধান্তে তখন সবাই একমত হয়েছিল। ওই জানাজাটিতে তখন দল মত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষ অংশ নিয়েছিল, বলছিলেন তিনি।


এর প্রায় ৪৪ বছর পর আজ বুধবার সেই কবরের পাশেই দাফন করা হচ্ছে জিয়াউর রহমানের স্ত্রী খালেদা জিয়াকে। মঙ্গলবার ভোরে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে দেশের সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী।