অনলাইন, ০৭ অক্টোবর, ২০২৬
বিজ্ঞাপন 728 × 90
সর্বশেষ খবর
অবৈধ করাতকলের দৌরাত্ম্যে বনাঞ্চল ধ্বংসের নীরব মাধ্যম-কতৃপক্ষ নিস্ক্রিয় মৌলভীবাজারে মোবাইল কোর্ট ও উচ্ছেদ অভিযান, ৭টি মামলা পাঠ্যবইয়ের বাহিরে খেলার মাঠে ও থাকছে সমান ভাবে গুরুত্ব; প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বাংলাদেশী নারী হিসেবে এমফিল ডিগ্রী অর্জন করলেন দুর্গাপুরের মুনিরা তাহের বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে কুড়িগ্রামে আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে বিভিন্ন সীমান্তে ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট,প্যান্টপিস ওবিভিন্ন চোরাচালানী মালামালসহ ২ জন আটক সম্পদ সীমিত হলেও শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধায় কার্পণ্য করবে না সরকার: এলজিআরডি মন্ত্রী জনগণের সেবা করাই নির্বাচিত সরকারের প্রধান দায়িত্ব: এলজিআরডি মন্ত্রী নাসিরনগরে স্কুলে অসুস্থ হয়ে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু নওগাঁয় হত্যা মামলায় একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড ভিসা প্রার্থীদের জন্য মার্কিন দূতাবাসের সতর্কবার্তা, প্রতারণা এড়াতে মানতে হবে নতুন নিয়ম বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে বিটিএমএ নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় শিশু অধিকার দিবস ও শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হাওর বেষ্টিত নাসিরনগরে আশ্বিন মাসের কুয়াশা জানান দিচ্ছে আগাম শীতের বার্তা ২৬ অক্টোবর চার দিনের সফরে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
হোম › রাজনীতি › ৩ মামলায় হাসিনার ২১ বছর কারাদণ্ড

৩ মামলায় হাসিনার ২১ বছর কারাদণ্ড

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ০১:৩৬ এএম, ২৭ নভেম্বর, ২০২৫ 198
৩ মামলায় হাসিনার ২১ বছর কারাদণ্ড

ক্ষমতার অপব্যবহার করে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক তিন মামলায় ২১ বছর কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকার পাঁচ নম্বর বিশেষ জজ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালত এ রায় দেন।


এর আগে গত ২৩ নভেম্বর এসব মামলায় রায় ঘোষণার জন্য ২৭ নভেম্বর দিন ধার্য করে আদালত। তবে শেখ হাসিনাসহ ২২ আসামি পলাতক থাকায় তাদের পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন হয়নি। একইসঙ্গে আত্মপক্ষ শুনানিতে নিজেদের নির্দোষও দাবি করতে পারেননি তারা।

প্রথম মামলাটি করা হয় গত ১৪ জানুয়ারি, যেখানে শেখ হাসিনাসহ আটজনকে অভিযুক্ত করা হয়। তদন্ত শেষে চার্জশিটে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১২ জনে। আসামিদের মধ্যে রয়েছেন পুরবী গোলদার, খুরশীদ আলম, নাসির উদ্দীন, মেজর (অব.) সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী, নায়েব আলী শরীফ, কাজী ওয়াছি উদ্দিন, শহিদ উল্লাহ খন্দকার ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ।


দ্বিতীয় মামলায় শেখ হাসিনা ও সজীব ওয়াজেদ জয়সহ ১৭ জনকে চার্জশিটভুক্ত করা হয়। এই মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সাইফুল ইসলাম সরকার, পুরবী গোলদার, কাজী ওয়াছি উদ্দিন, শহিদ উল্লাহ খন্দকার, আনিছুর রহমান মিঞা, নাসির উদ্দীন, মেজর (অব.) সামসুদ্দীন, নুরুল ইসলাম, মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ।


তৃতীয় মামলায় শেখ হাসিনা ও সায়মা ওয়াজেদ পুতুলসহ ১৮ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে জাল রেকর্ডপত্র তৈরি, অবৈধভাবে প্লট বরাদ্দ নেওয়া ও সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের সুযোগ সৃষ্টি। মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন—কবির আল আসাদ, তন্ময় দাস, নাসির উদ্দীন, মেজর (অব.) সামসুদ্দীন, হাফিজুর রহমান, হাবিবুর রহমান এবং সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ।