Columbus, ০৭ অক্টোবর, ২০২৬
বিজ্ঞাপন 728 × 90
সর্বশেষ খবর
অবৈধ করাতকলের দৌরাত্ম্যে বনাঞ্চল ধ্বংসের নীরব মাধ্যম-কতৃপক্ষ নিস্ক্রিয় মৌলভীবাজারে মোবাইল কোর্ট ও উচ্ছেদ অভিযান, ৭টি মামলা পাঠ্যবইয়ের বাহিরে খেলার মাঠে ও থাকছে সমান ভাবে গুরুত্ব; প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বাংলাদেশী নারী হিসেবে এমফিল ডিগ্রী অর্জন করলেন দুর্গাপুরের মুনিরা তাহের বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে কুড়িগ্রামে আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে বিভিন্ন সীমান্তে ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট,প্যান্টপিস ওবিভিন্ন চোরাচালানী মালামালসহ ২ জন আটক সম্পদ সীমিত হলেও শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধায় কার্পণ্য করবে না সরকার: এলজিআরডি মন্ত্রী জনগণের সেবা করাই নির্বাচিত সরকারের প্রধান দায়িত্ব: এলজিআরডি মন্ত্রী নাসিরনগরে স্কুলে অসুস্থ হয়ে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু নওগাঁয় হত্যা মামলায় একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড ভিসা প্রার্থীদের জন্য মার্কিন দূতাবাসের সতর্কবার্তা, প্রতারণা এড়াতে মানতে হবে নতুন নিয়ম বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে বিটিএমএ নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় শিশু অধিকার দিবস ও শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হাওর বেষ্টিত নাসিরনগরে আশ্বিন মাসের কুয়াশা জানান দিচ্ছে আগাম শীতের বার্তা ২৬ অক্টোবর চার দিনের সফরে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
হোম › বাংলাদেশ › “আমাদের ছেলে বেলা ও বর্তমান”

“আমাদের ছেলে বেলা ও বর্তমান”

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ০৬:০৭ এএম, ২০ এপ্রিল, ২০২৪ 275
“আমাদের ছেলে বেলা ও বর্তমান”

মোঃ ওমর ফারুক॥

সুদূর বাংলাদেশ থেকে হাজার হাজার মাইল পাড়ি দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পথে আমরা এসেছি আমাদের জীবনটাকে আরো সুন্দর এবং আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আরো সুন্দরভাবে সাজানোর জন্য সেই নিরিক্ষে এত কষ্ট এবং পরিশ্রম করে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে যে উপার্জন হয় তা দিয়ে এখানের সংসার চালিয়ে দেশের চাহিদা মেটাতে হিমশিম খেতে হয় প্রায় ৯০% প্রবাসীর। 


 দিনশেষে যখন একান্তে নিবিরে একটু বিশ্রাম নেই তখনই মনে পড়ে আমার সোনার বাংলাদেশের কথা যেখানে হাজারো স্মৃতি, মা বাবা ভাই বোন বন্ধু বান্ধব আত্বীয় স্বজন সহ নিজের দেশের মায়া মহব্বত ভালোবাসা সবকিছু রেখে এসেছি ।


ছোটবেলার সে হাজারো স্মৃতির মাঝে মনে পড়ে একটি স্মৃতি যা এখনো মনে হলে শরীর শির শির করে ওঠে কাঠের সেই চিকন সাঁকো দিয়ে খাল পার হয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাওয়া আসা। কতদিন সাঁকো থেকে পরে বই ভিজে একাকার, মাঝেমধ্যে ব্যথা ও পেয়েছি। যাই বলেন সেই ভেজা ও ব্যথাই কিন্তু এখনকার মধুর স্মৃতি।


ছোটবেলার সেই কাঠের সাঁকোটি আজ পাকা সেতুতে পরিণত হয়েছে দিনের পরিবর্তনে প্রত্যেকটা জিনিস আমাদের সেই পুরনো ইতিহাস থেকে নতুনত্ব হয়ে যাচ্ছে।


এই তো কিছুদিন আগেও মানুষ তার নিজের ভাব বিনিময় এবং কোন সংবাদ আদান প্রদান করতো চিঠির মাধ্যমে চিঠি পৌঁছাতো এক সপ্তাহ দুই সপ্তাহ কোন কোন সময় একমাস পর আজ দিন বদলে গেছে সেই দিন বদলে যাওয়ার পেছনে যারা কাজ করছেন তাদের জন্য রইল অভিনন্দন।