অনলাইন, ০৭ অক্টোবর, ২০২৬
বিজ্ঞাপন 728 × 90
সর্বশেষ খবর
অবৈধ করাতকলের দৌরাত্ম্যে বনাঞ্চল ধ্বংসের নীরব মাধ্যম-কতৃপক্ষ নিস্ক্রিয় মৌলভীবাজারে মোবাইল কোর্ট ও উচ্ছেদ অভিযান, ৭টি মামলা পাঠ্যবইয়ের বাহিরে খেলার মাঠে ও থাকছে সমান ভাবে গুরুত্ব; প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বাংলাদেশী নারী হিসেবে এমফিল ডিগ্রী অর্জন করলেন দুর্গাপুরের মুনিরা তাহের বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে কুড়িগ্রামে আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে বিভিন্ন সীমান্তে ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট,প্যান্টপিস ওবিভিন্ন চোরাচালানী মালামালসহ ২ জন আটক সম্পদ সীমিত হলেও শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধায় কার্পণ্য করবে না সরকার: এলজিআরডি মন্ত্রী জনগণের সেবা করাই নির্বাচিত সরকারের প্রধান দায়িত্ব: এলজিআরডি মন্ত্রী নাসিরনগরে স্কুলে অসুস্থ হয়ে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু নওগাঁয় হত্যা মামলায় একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড ভিসা প্রার্থীদের জন্য মার্কিন দূতাবাসের সতর্কবার্তা, প্রতারণা এড়াতে মানতে হবে নতুন নিয়ম বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে বিটিএমএ নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় শিশু অধিকার দিবস ও শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হাওর বেষ্টিত নাসিরনগরে আশ্বিন মাসের কুয়াশা জানান দিচ্ছে আগাম শীতের বার্তা ২৬ অক্টোবর চার দিনের সফরে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
হোম › জাতীয় › “প্রতিদিন ১২ ঘণ্টা কোথাও ৮ ঘণ্টা লোডশেডিং, বিদ্যুৎ গেল কোথায়”

“প্রতিদিন ১২ ঘণ্টা কোথাও ৮ ঘণ্টা লোডশেডিং, বিদ্যুৎ গেল কোথায়”

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ০২:৫০ পিএম, ০৫ মে, ২০২৪ 172
“প্রতিদিন ১২ ঘণ্টা কোথাও ৮ ঘণ্টা লোডশেডিং, বিদ্যুৎ গেল কোথায়”

বর্তমানে গ্রামগঞ্জে মাত্রাতিরিক্ত লোডশেডিংয়ের অভিযোগ প্রসঙ্গে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ মুজিবুল হক চুন্নু বলেছেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কোথাও ১২ ঘণ্টা, কোথাও ৮ ঘণ্টা লোডশেডিং। আমার এলাকাতেই ৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না। সরকার বলেছে ২৮ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সক্ষমতা আছে। তাহলে বিদ্যুৎ গেল কোথায়? 

রোববার (৫ মে) জাতীয় সংসদে আলোচনায় অংশ নিয়ে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ মুজিবুল হক চুন্নু এ কথা বলেন।

চুন্নু বলেন, এই মুহূর্তে সারাদেশের মানুষ অনেক সমস্যায় আছেন। তার মধ্যে দুটি সমস্যায় মানুষ অনেক বেশি আক্রান্ত, তার একটি হচ্ছে বিদ্যুৎ। বর্তমানে গ্রামগঞ্জে লোডশেডিং ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কোথাও ১২ ঘণ্টা, কোথাও ৮ ঘণ্টা। আমার এলাকায় ৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না। সরকার বলেছে ২৮ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সক্ষমতা আছে, তাহলে এত বিদ্যুৎ গেল কোথায়? গ্রামে লোডশেডিং হয় না চ্যালেঞ্জ করবেন কেন?

তিনি বলেন, কি যে একটা অসহনীয় অবস্থা, ঢাকা থেকে আপনারা বুঝবেন না। আমার এলাকার মানুষ বলেছে, লোডশেডিং হয় কিনা সেটা দেখাতে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীকে এলাকায় ১ দিন থাকার দাওয়াত দেওয়ার জন্য। আগের অধিবেশনে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী আমাকে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন। আমি চ্যালেঞ্জ চাই না, আমি চাই উনি সশরীরে আমার এলাকায় যাবেন। দেখবেন সারাদিনে কয় ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে। 

আইএমএফের প্রস্তাবে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মন্ত্রী দাম বৃদ্ধিকে বলেন সমন্বয়। এ সমন্বয় এক বছর করেছেন। আগামী তিন বছরে ১২ বার করবেন। ভর্তুকি পুরো তুললে বিদ্যুতের দাম দ্বিগুণ হয়ে যাবে। মানুষ কিনতে পারবে কি না আমি জানি না। দাম বৃদ্ধি না করে এমন পদক্ষেপ নেন, যেটাতে জনগণের ওপর চাপ না পড়ে সহনীয় পর্যায়ে আপনারা সরকারেও থাকতে পারেন। আর বিদ্যুৎও যাতে পাওয়া যায়।