অনলাইন, ০৭ অক্টোবর, ২০২৬
বিজ্ঞাপন 728 × 90
সর্বশেষ খবর
অবৈধ করাতকলের দৌরাত্ম্যে বনাঞ্চল ধ্বংসের নীরব মাধ্যম-কতৃপক্ষ নিস্ক্রিয় মৌলভীবাজারে মোবাইল কোর্ট ও উচ্ছেদ অভিযান, ৭টি মামলা পাঠ্যবইয়ের বাহিরে খেলার মাঠে ও থাকছে সমান ভাবে গুরুত্ব; প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বাংলাদেশী নারী হিসেবে এমফিল ডিগ্রী অর্জন করলেন দুর্গাপুরের মুনিরা তাহের বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে কুড়িগ্রামে আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে বিভিন্ন সীমান্তে ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট,প্যান্টপিস ওবিভিন্ন চোরাচালানী মালামালসহ ২ জন আটক সম্পদ সীমিত হলেও শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধায় কার্পণ্য করবে না সরকার: এলজিআরডি মন্ত্রী জনগণের সেবা করাই নির্বাচিত সরকারের প্রধান দায়িত্ব: এলজিআরডি মন্ত্রী নাসিরনগরে স্কুলে অসুস্থ হয়ে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু নওগাঁয় হত্যা মামলায় একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড ভিসা প্রার্থীদের জন্য মার্কিন দূতাবাসের সতর্কবার্তা, প্রতারণা এড়াতে মানতে হবে নতুন নিয়ম বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে বিটিএমএ নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় শিশু অধিকার দিবস ও শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হাওর বেষ্টিত নাসিরনগরে আশ্বিন মাসের কুয়াশা জানান দিচ্ছে আগাম শীতের বার্তা ২৬ অক্টোবর চার দিনের সফরে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
হোম › শিক্ষা › আগামী বছর দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চালু হবে মিড-ডে মিল

আগামী বছর দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চালু হবে মিড-ডে মিল

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ১০:০৫ পিএম, ০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ 54
আগামী বছর দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চালু হবে মিড-ডে মিল

শিক্ষা ডেস্ক ||


শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করা, বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বাড়ানো এবং ঝরে পড়া কমানোর লক্ষ্য নিয়ে আগামী বছরের মধ্যে দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘মিড-ডে মিল’ বা স্কুল ফিডিং কর্মসূচি সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করেছে সরকার।


সচিবালয়ে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ পরিকল্পনার কথা জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।


১৫১ উপজেলায় চলছে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি


প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশের ১৫১টি উপজেলায় স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় শিক্ষার্থীরা পুষ্টিকর খাবার পাচ্ছে। আগামী বছরের মধ্যে কর্মসূচিটির পরিধি বাড়িয়ে দেশের সব উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।


সরকারের লক্ষ্য, বিদ্যালয়মুখী ৪ থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের নিয়মিত স্কুলে উপস্থিতি নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় ধরে রাখা। প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিশুদের পুষ্টিকর খাবার সরবরাহ করলে বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বাড়ানো এবং ঝরে পড়া রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব।


৩০ লাখের বেশি শিক্ষার্থী পাচ্ছে পুষ্টিকর খাবার


প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমান পাইলট কর্মসূচির আওতায় ৩০ লাখের বেশি শিক্ষার্থী পুষ্টিকর খাবার পাচ্ছে।


কর্মসূচির আওতায় শিক্ষার্থীদের দুধ, ফর্টিফাইড বিস্কুট, সেদ্ধ ডিম, কলা ও বনরুটির মতো খাবার দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের জন্য রান্না করা তাজা খাবার সরবরাহের সম্ভাবনাও পৃথক পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে যাচাই করা হচ্ছে।


খাবারের মান নিয়ন্ত্রণে তদারকি


মিড-ডে মিল কর্মসূচি দেশব্যাপী সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে খাবারের পুষ্টিমান ও সরবরাহব্যবস্থার মান বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।


প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, খাদ্যতালিকায় পুষ্টিমান বজায় রাখা এবং সরবরাহব্যবস্থা নিরবচ্ছিন্ন রাখতে নিয়মিত তদারকি জোরদার করা হয়েছে। মাঠপর্যায়ে স্থানীয় মা ও নারীদের সম্পৃক্ত করে ‘মাদারস কমিটি’ গঠনের মাধ্যমেও খাবার বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।


এর আগে মে মাসে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সরবরাহকারী ও কর্মকর্তাদের এক সভায় ববি হাজ্জাজ খাবারের মান ও সরবরাহে কোনো ধরনের অনিয়ম বরদাশত করা হবে না বলে সতর্ক করেছিলেন। তখন তিনি সরবরাহব্যবস্থার পূর্ণাঙ্গ নজরদারি, খাদ্যমান নিয়ন্ত্রণ এবং স্কুলে নির্ধারিত সময়ে খাবার পৌঁছানোর ওপর জোর দেন।


দেশজুড়ে সম্প্রসারণের লক্ষ্য


বর্তমানে সীমিত পরিসরে বাস্তবায়িত স্কুল ফিডিং কর্মসূচিকে আগামী বছর দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে এর আওতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।


শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করার পাশাপাশি নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিতি ও প্রাথমিক শিক্ষায় ধরে রাখার ক্ষেত্রে এই কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছে সরকার। তবে দেশব্যাপী বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে খাবারের মান, সরবরাহব্যবস্থা, তদারকি ও ব্যবস্থাপনা কার্যকর রাখাই হবে কর্মসূচিটির অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ।