অনলাইন, ০৭ অক্টোবর, ২০২৬
বিজ্ঞাপন 728 × 90
সর্বশেষ খবর
অবৈধ করাতকলের দৌরাত্ম্যে বনাঞ্চল ধ্বংসের নীরব মাধ্যম-কতৃপক্ষ নিস্ক্রিয় মৌলভীবাজারে মোবাইল কোর্ট ও উচ্ছেদ অভিযান, ৭টি মামলা পাঠ্যবইয়ের বাহিরে খেলার মাঠে ও থাকছে সমান ভাবে গুরুত্ব; প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বাংলাদেশী নারী হিসেবে এমফিল ডিগ্রী অর্জন করলেন দুর্গাপুরের মুনিরা তাহের বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে কুড়িগ্রামে আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে বিভিন্ন সীমান্তে ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট,প্যান্টপিস ওবিভিন্ন চোরাচালানী মালামালসহ ২ জন আটক সম্পদ সীমিত হলেও শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধায় কার্পণ্য করবে না সরকার: এলজিআরডি মন্ত্রী জনগণের সেবা করাই নির্বাচিত সরকারের প্রধান দায়িত্ব: এলজিআরডি মন্ত্রী নাসিরনগরে স্কুলে অসুস্থ হয়ে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু নওগাঁয় হত্যা মামলায় একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড ভিসা প্রার্থীদের জন্য মার্কিন দূতাবাসের সতর্কবার্তা, প্রতারণা এড়াতে মানতে হবে নতুন নিয়ম বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে বিটিএমএ নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় শিশু অধিকার দিবস ও শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হাওর বেষ্টিত নাসিরনগরে আশ্বিন মাসের কুয়াশা জানান দিচ্ছে আগাম শীতের বার্তা ২৬ অক্টোবর চার দিনের সফরে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
হোম › আন্তর্জাতিক › ভোজ্যতেলে আমদানিনির্ভর বাংলাদেশ, বছরে চাহিদার ৯০ শতাংশই আসে বিদেশ থেকে

ভোজ্যতেলে আমদানিনির্ভর বাংলাদেশ, বছরে চাহিদার ৯০ শতাংশই আসে বিদেশ থেকে

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ০২:৫৭ এএম, ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ 26
ভোজ্যতেলে আমদানিনির্ভর বাংলাদেশ, বছরে চাহিদার ৯০ শতাংশই আসে বিদেশ থেকে

ঢাকা প্রতিনিধি:

বাংলাদেশে ভোজ্যতেলের বাজার এখনো ব্যাপকভাবে আমদানিনির্ভর। দেশে বছরে প্রায় ২৫ লাখ টন ভোজ্যতেলের চাহিদা থাকলেও এর প্রায় ৯০ শতাংশই আমদানি করা অপরিশোধিত সয়াবিন ও পাম তেল পরিশোধনের মাধ্যমে পূরণ করা হয়। ফলে রান্নার তেলের সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় করতে হচ্ছে।


বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশের মোট ভোজ্যতেলের চাহিদার বড় অংশ বিদেশ থেকে আসা কাঁচামালের ওপর নির্ভরশীল। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত রাইস ব্র্যানসহ অন্যান্য তেলের অংশ তুলনামূলকভাবে কম। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম, ডলারের বিনিময় হার কিংবা আমদানি ব্যয়ে পরিবর্তন হলে তার প্রভাব দ্রুত দেশের বাজারেও পড়তে পারে।


খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশের কৃষি ও শিল্প খাতে স্থানীয়ভাবে তেল উৎপাদনের সম্ভাবনা থাকলেও সেই সম্ভাবনার পুরোপুরি ব্যবহার হচ্ছে না। বিশেষ করে রাইস ব্র্যান অয়েল উৎপাদনের সক্ষমতা থাকলেও বাজারে এর সরবরাহ প্রয়োজনের তুলনায় কম। একদিকে কারখানার উৎপাদনক্ষমতার একটি অংশ অব্যবহৃত থাকছে, অন্যদিকে ভোক্তাদের জন্য স্থানীয় উৎসের তেল সহজলভ্য হচ্ছে না।


আমদানিনির্ভরতার কারণে ভোজ্যতেলের বাজারে সরকারের নীতি, আমদানি শুল্ক, বৈদেশিক মুদ্রার বাজার এবং আন্তর্জাতিক পণ্যমূল্যের প্রভাব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। কোনো কারণে আমদানি ব্যয় বেড়ে গেলে তা পরিবহন, উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে শেষ পর্যন্ত ভোক্তার ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করতে পারে।


অন্যদিকে স্থানীয় উৎস থেকে ভোজ্যতেলের উৎপাদন বাড়ানো গেলে বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ কমানোর পাশাপাশি দেশের কৃষকদের জন্য নতুন বাজার তৈরি হতে পারে। চাল উৎপাদনের উপজাত থেকে রাইস ব্র্যান অয়েলসহ স্থানীয় উৎসের তেল উৎপাদন বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে বলে খাতসংশ্লিষ্টরা মনে করেন।


তবে শুধু উৎপাদন বাড়ালেই হবে না; স্থানীয় তেলের মান, দাম, বাজারজাতকরণ এবং ভোক্তাদের আস্থা নিশ্চিত করাও জরুরি। একই সঙ্গে তেলবীজ উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ প্রয়োজন।


সব মিলিয়ে, দেশের ভোজ্যতেলের বাজারে ৯০ শতাংশ আমদানিনির্ভরতা শুধু বাজারদরের বিষয় নয়; এটি বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ, খাদ্যনিরাপত্তা এবং স্থানীয় কৃষি ও শিল্পের বিকাশের সঙ্গেও সরাসরি সম্পর্কিত। দীর্ঘমেয়াদে আমদানিনির্ভরতা কমাতে স্থানীয় উৎপাদন বাড়ানো এখন নীতিনির্ধারকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে।