Columbus, ০৮ অক্টোবর, ২০২৬
বিজ্ঞাপন 728 × 90
সর্বশেষ খবর
বিকেলে আবরার ফাহাদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রথম স্ত্রীর মামলায় পুলিশের হাতে আটক শিক্ষক কাইছারুজ্জামান প্রেমিকা এনি পলাতক যশোরে ভাইরাসে নষ্ট বাঁধাকপি ক্ষেত, লোকসানের মুখে কৃষক যশোর সীমান্তে ২৬ লাখ ৬ হাজার টাকার চোরাচালানী মালামাল ও মাদকদ্রব্য জব্দ ঢাকার গণপরিবহন ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সচিবালয়ে বৈঠক যুক্তরাষ্ট্রে হামের ভয়াবহ প্রাদুর্ভাব, নিউইয়র্কে দুর্যোগ জরুরি অবস্থা ঘোষণা স্বাস্থ্যসেবায় ডা. সিনথিয়া তাসমিন দেশে দ্বিতীয়, বিভাগে স্ক্রিনিংয়ে শ্রেষ্ঠ এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বৈষম্য দূর করে জাতীয়করণের দাবি মার্কিন প্রতিনিধি দলের বেনাপোল স্থলবন্দর পরিদর্শন ফ্রান্সের সঙ্গে উন্নয়ন সহযোগিতা আরও জোরদার করতে চায় বাংলাদেশ: এলজিআরডি মন্ত্রী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ অনুসরণ করে শিশুদের সুনাগরিক হওয়ার আহ্বান এলজিআরডি মন্ত্রীর *ধর্ম-বর্ণ-সম্প্রদায় নির্বিশেষে সবার কল্যাণে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী* ভোগডাঙ্গায় ৫নং ওয়ার্ডে ঘরে ঘরে গণসংযোগে মেম্বার পদপ্রার্থী সিরাজুল ইসলাম নয়ন আমাদের সন্তানদের ফাঁসানো হয়েছে;কুষ্টিয়ায় ডিবির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনে পরিবার। শোকের সাত বছর, এখনো শেষ হয়নি বিচার: আবরার ফাহাদের মৃত্যুবার্ষিকীতে পরিবারের অপেক্ষা
হোম › বাংলাদেশ › চক্ষু হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে ১৩ বছরের শিশুর মৃত্যু, পরিবারের অভিযোগ

চক্ষু হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে ১৩ বছরের শিশুর মৃত্যু, পরিবারের অভিযোগ

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ০৯:৩১ পিএম, ০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ 103
চক্ষু হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে ১৩ বছরের শিশুর মৃত্যু, পরিবারের অভিযোগ

মোহাম্মদ উল্যা

নোয়াখালী প্রতিনিধি॥

নোয়াখালীর মাইজদী দত্তেরহাট এলাকার একটি চক্ষু হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে মোসলেম নামে ১৩ বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় চিকিৎসাসেবার মান, দায়িত্বশীলতা ও রোগীর নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে।


পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, ৬ সেপ্টেম্বর বিকেলে সমবয়সীদের সঙ্গে খেলাধুলার সময় এক শিশুর আঘাতে মোসলেমের চোখে রক্ত জমে যায় এবং চোখ ফুলে ওঠে। স্থানীয় চিকিৎসকের পরামর্শে তাকে মাইজদী দত্তেরহাট ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালে নেওয়া হয়।


পরিবারের দাবি, হাসপাতালে নেওয়ার পর তাদের জানানো হয়, ‘বড় ডাক্তার’ আসছেন। প্রায় ৩০ মিনিট পর আবুল হোসেন নামের এক সিনিয়র অপটোমেট্রিস্ট হাসপাতালে আসেন। পরিবারের অভিযোগ, শিশুটিকে দেখার পর তাকে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয় এবং সেখানে তার চোখে তিনটি ইনজেকশন দেওয়া হয়।


এর কিছুক্ষণ পর মোসলেমের মুখ দিয়ে ফেনা বের হতে থাকে এবং সে অচেতন হয়ে পড়ে বলে পরিবারের সদস্যরা জানান। পরে তাকে নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।


তবে শিশুটির মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ কী—তা ময়নাতদন্ত, চিকিৎসা নথি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ছাড়া নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। ইনজেকশন বা চিকিৎসা-পদ্ধতির সঙ্গে মৃত্যুর সরাসরি সম্পর্ক ছিল কি না, সেটিও তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারণ করা প্রয়োজন।


ঘটনাটি শুধু একটি পরিবারের অপূরণীয় ক্ষতি নয়; এটি বেসরকারি চিকিৎসাপ্রতিষ্ঠানে চিকিৎসক ও অপটোমেট্রিস্টের দায়িত্বের সীমারেখা, জরুরি চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা, ওষুধের মান এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।


একটি শিশুর জীবন কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষার বিষয় হতে পারে না। তাই মোসলেমের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ণয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত, চিকিৎসা নথি যাচাই, ব্যবহৃত ওষুধ ও ইনজেকশনের মান পরীক্ষা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দায়িত্ব নির্ধারণ জরুরি।


পরিবারটি হারিয়েছে তাদের সন্তানকে, কোনো তদন্তই সেই জীবন ফিরিয়ে দিতে পারবে না। তবে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত হয়তো ভবিষ্যতে আরেকটি পরিবারকে এমন অপূরণীয় শোক থেকে রক্ষা করতে পারে।