Columbus, ০৮ অক্টোবর, ২০২৬
বিজ্ঞাপন 728 × 90
সর্বশেষ খবর
ফ্রেন্ডস অ্যান্ড ফ্যামিলির এজিএম অনুষ্ঠিত, গঠিত হলো নতুন কমিটি অবৈধ করাতকলের দৌরাত্ম্যে বনাঞ্চল ধ্বংসের নীরব মাধ্যম-কতৃপক্ষ নিস্ক্রিয় মৌলভীবাজারে মোবাইল কোর্ট ও উচ্ছেদ অভিযান, ৭টি মামলা পাঠ্যবইয়ের বাহিরে খেলার মাঠে ও থাকছে সমান ভাবে গুরুত্ব; প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বাংলাদেশী নারী হিসেবে এমফিল ডিগ্রী অর্জন করলেন দুর্গাপুরের মুনিরা তাহের বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে কুড়িগ্রামে আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে বিভিন্ন সীমান্তে ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট,প্যান্টপিস ওবিভিন্ন চোরাচালানী মালামালসহ ২ জন আটক সম্পদ সীমিত হলেও শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধায় কার্পণ্য করবে না সরকার: এলজিআরডি মন্ত্রী জনগণের সেবা করাই নির্বাচিত সরকারের প্রধান দায়িত্ব: এলজিআরডি মন্ত্রী নাসিরনগরে স্কুলে অসুস্থ হয়ে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু নওগাঁয় হত্যা মামলায় একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড ভিসা প্রার্থীদের জন্য মার্কিন দূতাবাসের সতর্কবার্তা, প্রতারণা এড়াতে মানতে হবে নতুন নিয়ম বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে বিটিএমএ নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় শিশু অধিকার দিবস ও শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হাওর বেষ্টিত নাসিরনগরে আশ্বিন মাসের কুয়াশা জানান দিচ্ছে আগাম শীতের বার্তা
হোম › বাংলাদেশ › দুর্গাপুরে মাদকের আখড়ায় পরিণত হওয়া ৭ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

দুর্গাপুরে মাদকের আখড়ায় পরিণত হওয়া ৭ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ০১:০৭ এএম, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ 201
দুর্গাপুরে মাদকের আখড়ায় পরিণত হওয়া ৭ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

মামুন রণবীর,

নেত্রকোণা প্রতিনিধি॥


নেত্রকোণার দুর্গাপুর উপজেলার সোমেশ্বরী নদীর পাড়ে সরকারি খাসজমিতে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা দখল করে বিভিন্ন অসাধু চক্র অপরাধ ও মাদকের আখড়ায় পরিণত করেছিলো। এবার এসব স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিয়ে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে এনেছে প্রশাসন।


বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু করে প্রশাসন। ফলে জনমনে স্বস্তি এসেছে।


স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দুর্গাপুর পৌর এলাকার তেরীবাজার ঘাট সংলগ্ন সোমেশ্বরী নদীর পাড়ে দীর্ঘদিন ধরে সরকারি খাসজমি দখল করে বিভিন্ন অসাধু চক্র স্থাপনা গড়ে তুলেছিল। নদীর বালুমহাল যখন চালু ছিল তখন এসব ঘর নির্মাণ করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে বালুমহাল বন্ধ থাকায় এসব ঘর পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকে। ব্যবহার না হওয়ায় রাতের নির্জন পরিবেশে সুযোগটি কাজে লাগায় স্থানীয় মাদক কারবারি ও মাদকসেবীরা। অপরাধ ও মাদকের নিরাপদ স্থান হয়ে ওঠে পুরো জায়গাটি। মানুষের নিরাপত্তা চরম হুমকির মুখে পড়ে। স্থানীয়রা এ নিয়ে ক্ষোভ জানিয়ে আসছিলেন।


স্থানীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা, এলাকার পরিবেশের মান উন্নয়ন ও সরকারি সম্পদ রক্ষায় একে একে গুঁড়িয়ে দেয়া হয় নদীর পাড় ঘেঁষে গড়ে ওঠা সাতটি অবৈধ স্থাপনা।


অভিযানের বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিজানুর রহমান বলেন, তেরীবাজার সংলগ্ন সোমেশ্বরী নদীর পাড়ে গড়ে ওঠা এসব অবৈধ ও পরিত্যক্ত স্থাপনাগুলো সম্প্রতি মাদকের আখড়ায় পরিণত হয়েছিল। এটি সমাজের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর এবং জনজীবনের জন্য হুমকিস্বরূপ। সরকারি খাসজমি উদ্ধারের পাশাপাশি মাদক নির্মূলে আমরা এই অভিযান পরিচালনা করেছি।


অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। স্থানীয়রা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, পরিত্যক্ত ওই স্থাপনাগুলোকে কেন্দ্র করে প্রতিদিন নানা অনাকাঙ্ক্ষিত ও অপরাধমূলক কর্মকান্ড ঘটতো। এখন এই এলাকায় স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরে এলো।