অনলাইন, ০৭ অক্টোবর, ২০২৬
বিজ্ঞাপন 728 × 90
সর্বশেষ খবর
অবৈধ করাতকলের দৌরাত্ম্যে বনাঞ্চল ধ্বংসের নীরব মাধ্যম-কতৃপক্ষ নিস্ক্রিয় মৌলভীবাজারে মোবাইল কোর্ট ও উচ্ছেদ অভিযান, ৭টি মামলা পাঠ্যবইয়ের বাহিরে খেলার মাঠে ও থাকছে সমান ভাবে গুরুত্ব; প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বাংলাদেশী নারী হিসেবে এমফিল ডিগ্রী অর্জন করলেন দুর্গাপুরের মুনিরা তাহের বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে কুড়িগ্রামে আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে বিভিন্ন সীমান্তে ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট,প্যান্টপিস ওবিভিন্ন চোরাচালানী মালামালসহ ২ জন আটক সম্পদ সীমিত হলেও শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধায় কার্পণ্য করবে না সরকার: এলজিআরডি মন্ত্রী জনগণের সেবা করাই নির্বাচিত সরকারের প্রধান দায়িত্ব: এলজিআরডি মন্ত্রী নাসিরনগরে স্কুলে অসুস্থ হয়ে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু নওগাঁয় হত্যা মামলায় একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড ভিসা প্রার্থীদের জন্য মার্কিন দূতাবাসের সতর্কবার্তা, প্রতারণা এড়াতে মানতে হবে নতুন নিয়ম বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে বিটিএমএ নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় শিশু অধিকার দিবস ও শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হাওর বেষ্টিত নাসিরনগরে আশ্বিন মাসের কুয়াশা জানান দিচ্ছে আগাম শীতের বার্তা ২৬ অক্টোবর চার দিনের সফরে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
হোম › শিক্ষা › মাধ্যমিক শিক্ষকদের ৪২ দিনের পেশাগত প্রশিক্ষণ, শুরু ১২ সেপ্টেম্বর

মাধ্যমিক শিক্ষকদের ৪২ দিনের পেশাগত প্রশিক্ষণ, শুরু ১২ সেপ্টেম্বর

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ০৯:৩১ এএম, ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ 74
মাধ্যমিক শিক্ষকদের ৪২ দিনের পেশাগত প্রশিক্ষণ, শুরু ১২ সেপ্টেম্বর

শিক্ষা ডেস্ক ||


মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষকদের বিষয়ভিত্তিক দক্ষতা উন্নয়নে লার্নিং এক্সিলারেশন ইন সেকেন্ডারি এডুকেশন (লেইস) প্রকল্পের আওতায় ৪২ দিনব্যাপী ‘প্রফেশনাল ডেভেলপমেন্ট ট্রেনিং’ আয়োজন করছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। নতুন নোটিশ অনুযায়ী, প্রশিক্ষণের তৃতীয় ব্যাচের কার্যক্রম আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।


মাউশির ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর নোটিশে লেইস প্রকল্পের আওতায় মাধ্যমিক পর্যায়ের বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকদের ৪২ দিনব্যাপী পেশাগত উন্নয়ন প্রশিক্ষণের আয়োজনের কথা জানানো হয়েছে। লেইস প্রকল্পের সরকারি ওয়েবসাইটেও এই প্রশিক্ষণকে প্রকল্পের চলমান কার্যক্রমের অংশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।


৪২ দিনের আবাসিক প্রশিক্ষণ


প্রশিক্ষণের তৃতীয় ব্যাচে ১৬০ জন শিক্ষক অংশ নেবেন বলে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। প্রশিক্ষণটি দেশের ১৪টি সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজে আবাসিকভাবে আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। তৃতীয় ব্যাচের প্রশিক্ষণ ১২ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।


এর আগে ১ সেপ্টেম্বর মাউশি জানিয়েছিল, লেইস প্রকল্পের আওতায় মাধ্যমিক পর্যায়ের বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও বিজ্ঞান বিষয়ের প্রায় ৫৩ হাজার ৭৬০ জন শিক্ষককে ৪২ দিনব্যাপী Professional Development Training দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বিষয়ভিত্তিক মাস্টার ট্রেইনার পুল গঠনের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।


মাস্টার ট্রেইনার পুল গঠনের উদ্যোগ


প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে মাউশি বিষয়ভিত্তিক মাস্টার ট্রেইনার পুল গঠনের জন্য ১ সেপ্টেম্বর অনলাইনে আবেদন আহ্বান করে। যোগ্য ও আগ্রহী শিক্ষকদের নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় আবেদন করার সুযোগ দেওয়া হয়।


লেইস প্রকল্পের মূল লক্ষ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের শিখন ত্বরান্বিত করা, শিক্ষকদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং মাধ্যমিক শিক্ষা ব্যবস্থার সক্ষমতা ও সহনশীলতা বাড়ানো। প্রকল্পটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতায় মাউশির মাধ্যমে অক্টোবর ২০২৩ থেকে সেপ্টেম্বর ২০২৮ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হচ্ছে এবং বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতায় পরিচালিত হচ্ছে।


৫৬ দিনের বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণ আলাদা কর্মসূচি


মাধ্যমিক শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে যে ‘বাধ্যতামূলক’ নির্দেশনার কথা বলা হচ্ছে, সেটি মূলত লেইস প্রকল্পের আওতায় নবীন শিক্ষকদের ৫৬ দিনব্যাপী Basic Training-এর সঙ্গে সম্পর্কিত। ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর মাউশির অফিস আদেশের ভিত্তিতে নবীন মাধ্যমিক শিক্ষকদের জন্য ওই প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল।


অন্যদিকে, ৮ সেপ্টেম্বরের সর্বশেষ নোটিশটি বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকদের ৪২ দিনের Professional Development Training আয়োজনসংক্রান্ত। ফলে ৪২ দিনের এই প্রশিক্ষণকে সরাসরি ‘সব মাধ্যমিক শিক্ষকের জন্য বাধ্যতামূলক’ হিসেবে উল্লেখ করার মতো তথ্য সর্বশেষ সরকারি নোটিশে পাওয়া যায়নি।


প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের মাধ্যমে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বাড়ানো এবং শ্রেণিকক্ষে আরও কার্যকর পাঠদান নিশ্চিত করার লক্ষ্য রয়েছে। মাধ্যমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি মোকাবিলায় এটি লেইস প্রকল্পের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।