Columbus, ০৭ অক্টোবর, ২০২৬
বিজ্ঞাপন 728 × 90
সর্বশেষ খবর
ফ্রেন্ডস অ্যান্ড ফ্যামিলির এজিএম অনুষ্ঠিত, গঠিত হলো নতুন কমিটি অবৈধ করাতকলের দৌরাত্ম্যে বনাঞ্চল ধ্বংসের নীরব মাধ্যম-কতৃপক্ষ নিস্ক্রিয় মৌলভীবাজারে মোবাইল কোর্ট ও উচ্ছেদ অভিযান, ৭টি মামলা পাঠ্যবইয়ের বাহিরে খেলার মাঠে ও থাকছে সমান ভাবে গুরুত্ব; প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বাংলাদেশী নারী হিসেবে এমফিল ডিগ্রী অর্জন করলেন দুর্গাপুরের মুনিরা তাহের বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে কুড়িগ্রামে আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে বিভিন্ন সীমান্তে ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট,প্যান্টপিস ওবিভিন্ন চোরাচালানী মালামালসহ ২ জন আটক সম্পদ সীমিত হলেও শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধায় কার্পণ্য করবে না সরকার: এলজিআরডি মন্ত্রী জনগণের সেবা করাই নির্বাচিত সরকারের প্রধান দায়িত্ব: এলজিআরডি মন্ত্রী নাসিরনগরে স্কুলে অসুস্থ হয়ে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু নওগাঁয় হত্যা মামলায় একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড ভিসা প্রার্থীদের জন্য মার্কিন দূতাবাসের সতর্কবার্তা, প্রতারণা এড়াতে মানতে হবে নতুন নিয়ম বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে বিটিএমএ নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় শিশু অধিকার দিবস ও শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হাওর বেষ্টিত নাসিরনগরে আশ্বিন মাসের কুয়াশা জানান দিচ্ছে আগাম শীতের বার্তা
হোম › বাংলাদেশ › নয় বছরেও ঘরে ফেরা হয়নি, প্রত্যাবাসনের দাবিতে কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের বড় সমাবেশ

নয় বছরেও ঘরে ফেরা হয়নি, প্রত্যাবাসনের দাবিতে কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের বড় সমাবেশ

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ১০:৩৫ পিএম, ২৫ আগস্ট, ২০২৬ 67
নয় বছরেও ঘরে ফেরা হয়নি, প্রত্যাবাসনের দাবিতে কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের বড় সমাবেশ

কক্সবাজার প্রতিনিধি॥

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের বড় ধরনের আগমনের নয় বছর পূর্ণ হয়েছে। এই দীর্ঘ সময়ে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের বিষয়ে বহুবার আলোচনা হলেও এখনো বড় পরিসরে কোনো প্রত্যাবাসন কার্যক্রম বাস্তবায়িত হয়নি।


২৫ আগস্ট কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের বিভিন্ন শরণার্থী শিবিরে রোহিঙ্গারা সমাবেশ করে দ্রুত ও নিরাপদ প্রত্যাবাসনের দাবি জানিয়েছেন। বিভিন্ন ক্যাম্পে আয়োজিত এসব কর্মসূচিতে বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গা অংশ নেন।


রোহিঙ্গাদের মূল দাবি—নিজেদের জন্মভূমি মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করা।


বাংলাদেশে বর্তমানে ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী বসবাস করছেন। দীর্ঘমেয়াদি শরণার্থীজীবনের কারণে খাদ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা এবং মানবিক সহায়তার ওপর চাপ বাড়ছে। একই সময়ে আন্তর্জাতিক সহায়তা কমে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠেছে।


প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো রাখাইন রাজ্যের চলমান সংঘাত ও নিরাপত্তাহীনতা। রোহিঙ্গারা বলছেন, নিরাপত্তা ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত না হলে তাঁরা মিয়ানমারে ফিরে যেতে প্রস্তুত নন।


বাংলাদেশের জন্য এই সংকট এখন শুধু মানবিক নয়; এটি দীর্ঘমেয়াদি কূটনৈতিক ও নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জও। তাই প্রত্যাবাসনের জন্য মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ানোর পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখা জরুরি।


২৫ আগস্টের সমাবেশ আবারও দেখিয়ে দিল—নয় বছর পরও রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধান হয়নি। প্রত্যাবাসনের বাস্তব পরিবেশ তৈরি না হলে বিশ্বের অন্যতম দীর্ঘস্থায়ী শরণার্থী সংকট আরও দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।


তথ্যসূত্র: অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (AP), আল জাজিরা।