অনলাইন, ০৯ অক্টোবর, ২০২৬
বিজ্ঞাপন 728 × 90
সর্বশেষ খবর
এক হালি কমলা নিলামে অর্ধলক্ষ টাকা বিক্রি হাজারীহাট হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজে মেধাবীদের বৃত্তি ও সাবেক শিক্ষার্থীর চিকিৎসায় সহায়তা সম্পদের তথ্য গোপন ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ: সাবেক এমপি রেজাউল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা নাসিরনগরে আইএফআইসি ব্যাংকের ৫০ বছর পূর্তিতে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত। ভবিষ্যতের বড় চ্যালেঞ্জ পানি, এখনই সঠিক ব্যবস্থাপনা জরুরি: এলজিআরডি মন্ত্রী দৌলতপুরে মাদ্রাসাছাত্রকে নিপীড়নের অভিযোগ কুড়িগ্রামে বিশ্ব দৃষ্টি দিবস উপলক্ষে রেলি , আলোচনা সভা ও চক্ষু সেবা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত । ভূমি অফিসের সহকারী তহশিলদারের বিরুদ্ধে সাংবাদিককে ঘুষ দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ বিশ্ব শিক্ষক দিবসে চাকরি জাতীয়করণের দাবিতে শিক্ষকদের সমাবেশ শেখ হাসিনাকে ফেরানোর বিষয়ে ভারতের অবস্থান অপরিবর্তিত, ‘আইনি প্রক্রিয়াতেই’ হবে সিদ্ধান্ত সারা দেশে সাঁড়াশি অভিযান জোরদার, রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক গ্রেপ্তার বিকেলে আবরার ফাহাদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রথম স্ত্রীর মামলায় পুলিশের হাতে আটক শিক্ষক কাইছারুজ্জামান প্রেমিকা এনি পলাতক যশোরে ভাইরাসে নষ্ট বাঁধাকপি ক্ষেত, লোকসানের মুখে কৃষক যশোর সীমান্তে ২৬ লাখ ৬ হাজার টাকার চোরাচালানী মালামাল ও মাদকদ্রব্য জব্দ
হোম › আন্তর্জাতিক › নেপাল–তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ বন্যা, নিখোঁজ শত শত পর্যটক; মৃতের সংখ্যা ১৬৫

নেপাল–তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ বন্যা, নিখোঁজ শত শত পর্যটক; মৃতের সংখ্যা ১৬৫

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ০১:১১ এএম, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ 54
নেপাল–তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ বন্যা, নিখোঁজ শত শত পর্যটক; মৃতের সংখ্যা ১৬৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥

নেপাল ও চীনের তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও কাদাধসে মানবিক বিপর্যয় আরও গভীর হয়েছে। হিমালয়ের দুর্গম এলাকায় প্রবল পানির স্রোত, কাদা ও পাথরের ধাক্কায় ঘরবাড়ি, সড়ক, সেতু ও বিভিন্ন স্থাপনা ধ্বংস হয়ে গেছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, নেপাল ও তিব্বত মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা অন্তত ১৬৫ এবং নিখোঁজের সংখ্যা প্রায় ১,৫০০-তে পৌঁছেছে।


দুর্যোগের সবচেয়ে উদ্বেগজনক দিক হলো বিপুলসংখ্যক পর্যটক ও বিদেশি নাগরিকের নিখোঁজ থাকা। নেপালের পর্যটন কর্মকর্তাদের হিসাবে, দেশটিতে ৫৭৯ জন পর্যটক নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ৪০০-এর বেশি বিদেশি নাগরিক। ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, কানাডা, মালয়েশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের নাগরিকদেরও সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না।


হিমালয়ের একটি হিমবাহের বড় অংশ ধসে বিপুল বরফ, পাথর ও কাদার স্রোত নদীতে নেমে আসার পর এই ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার তথ্যও হিমবাহ ধসের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ভূকম্পন শনাক্ত হওয়ার বিষয়টি সামনে এনেছে।


নেপাল ও চীন উভয় দেশেই উদ্ধার অভিযান চলছে। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় যোগাযোগব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় উদ্ধারকারীদের ব্যাপক সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে। হেলিকপ্টার, সেনা, পুলিশ ও জরুরি উদ্ধারকারী দল নিখোঁজদের সন্ধানে কাজ করছে।


এদিকে তিব্বতের গিরং এলাকায় উজানে পানি আটকে একটি হ্রদ তৈরি হওয়ায় নতুন করে বন্যার আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে। ফলে উদ্ধার অভিযানের পাশাপাশি সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফার দুর্যোগ ঠেকাতে স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।


তথ্যসূত্র: Reuters