অনলাইন, ০৭ অক্টোবর, ২০২৬
বিজ্ঞাপন 728 × 90
সর্বশেষ খবর
অবৈধ করাতকলের দৌরাত্ম্যে বনাঞ্চল ধ্বংসের নীরব মাধ্যম-কতৃপক্ষ নিস্ক্রিয় মৌলভীবাজারে মোবাইল কোর্ট ও উচ্ছেদ অভিযান, ৭টি মামলা পাঠ্যবইয়ের বাহিরে খেলার মাঠে ও থাকছে সমান ভাবে গুরুত্ব; প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বাংলাদেশী নারী হিসেবে এমফিল ডিগ্রী অর্জন করলেন দুর্গাপুরের মুনিরা তাহের বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে কুড়িগ্রামে আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে বিভিন্ন সীমান্তে ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট,প্যান্টপিস ওবিভিন্ন চোরাচালানী মালামালসহ ২ জন আটক সম্পদ সীমিত হলেও শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধায় কার্পণ্য করবে না সরকার: এলজিআরডি মন্ত্রী জনগণের সেবা করাই নির্বাচিত সরকারের প্রধান দায়িত্ব: এলজিআরডি মন্ত্রী নাসিরনগরে স্কুলে অসুস্থ হয়ে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু নওগাঁয় হত্যা মামলায় একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড ভিসা প্রার্থীদের জন্য মার্কিন দূতাবাসের সতর্কবার্তা, প্রতারণা এড়াতে মানতে হবে নতুন নিয়ম বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে বিটিএমএ নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় শিশু অধিকার দিবস ও শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হাওর বেষ্টিত নাসিরনগরে আশ্বিন মাসের কুয়াশা জানান দিচ্ছে আগাম শীতের বার্তা ২৬ অক্টোবর চার দিনের সফরে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
হোম › জাতীয় › প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্য: সফর হতে হবে সমতা, মর্যাদা ও বন্ধুত্বের ভিত্তিতে

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্য: সফর হতে হবে সমতা, মর্যাদা ও বন্ধুত্বের ভিত্তিতে

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ০৩:৩০ পিএম, ২১ আগস্ট, ২০২৬ 76
প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্য: সফর হতে হবে সমতা, মর্যাদা ও বন্ধুত্বের ভিত্তিতে

নিজস্ব প্রতিবেদক:

প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক ও দ্বিপক্ষীয় যোগাযোগে কোনো ধরনের বাধা থাকার কথা নয়। তবে এ ধরনের সফর ও সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সমতা, সময়ের মর্যাদা এবং বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিতে হবে।


ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “প্রধানমন্ত্রী সারাবিশ্বই সফর করতে পারেন। আমাদের পাশের দেশ ভারত সফর করতেও কোনো অসুবিধা নেই।” তাঁর বক্তব্যে তিনি স্পষ্ট করেন যে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক সফর কিংবা প্রতিবেশী রাষ্ট্রে সফর করাকে তিনি স্বাভাবিক কূটনৈতিক কর্মকাণ্ড হিসেবেই দেখছেন।


তবে একই সঙ্গে তিনি মনে করেন, ভারত সফর হলে সেটি যেন যথাযথ মর্যাদা ও পারস্পরিক সম্মানের পরিবেশে হয়। তাঁর ভাষায়, “তবে সেই সফর হতে হবে সমতার, সময়ের মর্যাদার, বন্ধুত্বের।”


বক্তব্যটির মূল গুরুত্ব রয়েছে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ক্ষেত্রে সমতা ও পারস্পরিক মর্যাদার প্রশ্নে। দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে পারস্পরিক স্বার্থ এবং সম্মানকে গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টিই এখানে সামনে এসেছে।


ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্য থেকে বোঝা যায়, প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের যোগাযোগ বা প্রধানমন্ত্রীর সফরের বিষয়ে আপত্তির চেয়ে তিনি বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন সফরের ধরন, উদ্দেশ্য এবং পারস্পরিক সম্পর্কের ভারসাম্যের ওপর। অর্থাৎ, কোনো দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার পাশাপাশি বাংলাদেশের জাতীয় মর্যাদা ও স্বার্থও সমানভাবে বিবেচনায় থাকা প্রয়োজন—এমন একটি অবস্থানই তাঁর বক্তব্যে প্রতিফলিত হয়েছে।


বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে ডা. শফিকুর রহমানের এই মন্তব্য রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে তাৎপর্যপূর্ণ। বিশেষ করে সমতা, মর্যাদা ও বন্ধুত্বের ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বার্তাই তাঁর বক্তব্যের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।