অনলাইন, ০৭ অক্টোবর, ২০২৬
বিজ্ঞাপন 728 × 90
সর্বশেষ খবর
অবৈধ করাতকলের দৌরাত্ম্যে বনাঞ্চল ধ্বংসের নীরব মাধ্যম-কতৃপক্ষ নিস্ক্রিয় মৌলভীবাজারে মোবাইল কোর্ট ও উচ্ছেদ অভিযান, ৭টি মামলা পাঠ্যবইয়ের বাহিরে খেলার মাঠে ও থাকছে সমান ভাবে গুরুত্ব; প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বাংলাদেশী নারী হিসেবে এমফিল ডিগ্রী অর্জন করলেন দুর্গাপুরের মুনিরা তাহের বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে কুড়িগ্রামে আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে বিভিন্ন সীমান্তে ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট,প্যান্টপিস ওবিভিন্ন চোরাচালানী মালামালসহ ২ জন আটক সম্পদ সীমিত হলেও শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধায় কার্পণ্য করবে না সরকার: এলজিআরডি মন্ত্রী জনগণের সেবা করাই নির্বাচিত সরকারের প্রধান দায়িত্ব: এলজিআরডি মন্ত্রী নাসিরনগরে স্কুলে অসুস্থ হয়ে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু নওগাঁয় হত্যা মামলায় একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড ভিসা প্রার্থীদের জন্য মার্কিন দূতাবাসের সতর্কবার্তা, প্রতারণা এড়াতে মানতে হবে নতুন নিয়ম বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে বিটিএমএ নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় শিশু অধিকার দিবস ও শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হাওর বেষ্টিত নাসিরনগরে আশ্বিন মাসের কুয়াশা জানান দিচ্ছে আগাম শীতের বার্তা ২৬ অক্টোবর চার দিনের সফরে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
হোম › বাংলাদেশ › সদ্য অপসারিত ও ওএসডি হওয়া সিভিল সার্জন বিদায়ে উন্মোচিত হলো চাঞ্চল্যকর তথ্য!

সদ্য অপসারিত ও ওএসডি হওয়া সিভিল সার্জন বিদায়ে উন্মোচিত হলো চাঞ্চল্যকর তথ্য!

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ০৪:২০ এএম, ০৪ অক্টোবর, ২০২৬ 83
সদ্য অপসারিত ও ওএসডি হওয়া সিভিল সার্জন বিদায়ে উন্মোচিত হলো চাঞ্চল্যকর তথ্য!

তিমির বনিক,

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:


প্রায়শই দায়িত্বে অবহেলার অপরাধে সম্প্রতি অপসারিত ও ওএসডি হওয়া মৌলভীবাজারের বিতর্কিত সিভিল সার্জন ডা. মো. মামুনুর রহমানের বিদায়ের পরপরই বেরিয়ে এলো থলের বিড়াল। স্বাস্থ্য খাতের অনিয়ম ও দুর্নীতির এক অবিশ্বাস্য চিত্র উন্মোচিত হয়েছে মৌলভীবাজারে। মাত্র চার মাসের ব্যবধানে জেলার ১৩৪টি বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে অলৌকিকভাবে লাইসেন্স নবায়ন ও অনুমোদন দেওয়ার ঘটনা সামনে এসেছে।


অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রায় চার মাস আগে সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে জমা দেওয়া এক প্রতিবেদনে জেলার ১৫৫টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মাত্র ৪৫টি (১১টি হাসপাতাল ও ৩৪টি ডায়াগনস্টিক) লাইসেন্স হালনাগাদ হিসেবে তালিকাভুক্ত ছিল। কিন্তু রহস্যজনকভাবে চার মাসের ব্যবধানে সেই সংখ্যা এক লাফে বেড়ে দাঁড়ায় ১৩৪টিতে। অন্যদিকে, পুরো জেলায় মাত্র ৫টি প্রতিষ্ঠানকে ‘অনুমোদনহীন’ প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখানো হয়েছে।


সচেতন মহলের অভিযোগ, কোনো প্রকার সরেজমিন পরিদর্শন, অবকাঠামোগত সুবিধা, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক কিংবা পর্যাপ্ত যন্ত্রপাতির যাচাই-বাছাই ছাড়াই অসাধু উপায়ে ও মোটা অঙ্কের আর্থিক সমঝোতার মাধ্যমে এসব অনুমোদন বিলি করা হয়েছে।


এমনকি খাতায়-কলমে অবৈধ দেখানো ৫টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যেও মৌলভীবাজার শহরের ‘সোনার বাংলা কিডনি ফাউন্ডেশন’ ও ‘সূর্যের আলো হাসপাতাল’-এর মতো প্রতিষ্ঠান প্রশাসনের নাকের ডগায় প্রকাশ্যে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। বাকি অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানগুলো হলো সদরের শেরপুর এলাকার আরহাম ডায়াগনস্টিক সেন্টার, কিউর ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং শেরপুর ইউনাইটেড ডায়াগনস্টিক সেন্টার।


অনিয়মের বিষয়ে সদ্য ওএসডি হওয়া সাবেক সিভিল সার্জন ডা. মো. মামুনুর রহমানের বক্তব্য আরও চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। তিনি বলেন, “শতভাগ নিয়মনীতি মেনে ধরলে জেলার একটি প্রতিষ্ঠানও লাইসেন্স পাওয়ার যোগ্য নয়।” অনৈতিক আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি দাবি করেন, অসাধু প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিকেরা প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিচয়ে চলায় তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গেলে উল্টো চাপে পড়তে হতো।


উল্লেখ্য, গত ২৭ সেপ্টেম্বর জেলা আইনশৃঙ্খলা সভায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর নির্দেশে ডা. মামুনুর রহমানকে ওএসডি করা হয় এবং ডা. মো. জাকির হোসেনকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়।


স্থানীয় ভুক্তভোগী ও সচেতন নাগরিকদের দাবি, এই বিপুলসংখ্যক প্রতিষ্ঠানের দ্রুত অনুমোদন প্রক্রিয়ার পেছনে কী পরিমাণ অনিয়ম ও অর্থ লেনদেন হয়েছে, তা অবিলম্বে বিচারবিভাগীয় তদন্তের আওতায় এনে ভুয়া ক্লিনিকগুলোর লাইসেন্স বাতিল করতে হবে।