অনলাইন, ০৯ অক্টোবর, ২০২৬
বিজ্ঞাপন 728 × 90
সর্বশেষ খবর
এক হালি কমলা নিলামে অর্ধলক্ষ টাকা বিক্রি হাজারীহাট হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজে মেধাবীদের বৃত্তি ও সাবেক শিক্ষার্থীর চিকিৎসায় সহায়তা সম্পদের তথ্য গোপন ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ: সাবেক এমপি রেজাউল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা নাসিরনগরে আইএফআইসি ব্যাংকের ৫০ বছর পূর্তিতে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত। ভবিষ্যতের বড় চ্যালেঞ্জ পানি, এখনই সঠিক ব্যবস্থাপনা জরুরি: এলজিআরডি মন্ত্রী দৌলতপুরে মাদ্রাসাছাত্রকে নিপীড়নের অভিযোগ কুড়িগ্রামে বিশ্ব দৃষ্টি দিবস উপলক্ষে রেলি , আলোচনা সভা ও চক্ষু সেবা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত । ভূমি অফিসের সহকারী তহশিলদারের বিরুদ্ধে সাংবাদিককে ঘুষ দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ বিশ্ব শিক্ষক দিবসে চাকরি জাতীয়করণের দাবিতে শিক্ষকদের সমাবেশ শেখ হাসিনাকে ফেরানোর বিষয়ে ভারতের অবস্থান অপরিবর্তিত, ‘আইনি প্রক্রিয়াতেই’ হবে সিদ্ধান্ত সারা দেশে সাঁড়াশি অভিযান জোরদার, রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক গ্রেপ্তার বিকেলে আবরার ফাহাদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রথম স্ত্রীর মামলায় পুলিশের হাতে আটক শিক্ষক কাইছারুজ্জামান প্রেমিকা এনি পলাতক যশোরে ভাইরাসে নষ্ট বাঁধাকপি ক্ষেত, লোকসানের মুখে কৃষক যশোর সীমান্তে ২৬ লাখ ৬ হাজার টাকার চোরাচালানী মালামাল ও মাদকদ্রব্য জব্দ
হোম › বাংলাদেশ › সৌরবিদ্যুৎ সরঞ্জাম আমদানিতে ৬ মাসের শুল্ক-কর ছাড়

সৌরবিদ্যুৎ সরঞ্জাম আমদানিতে ৬ মাসের শুল্ক-কর ছাড়

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ০৭:৪৮ পিএম, ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ 25
সৌরবিদ্যুৎ সরঞ্জাম আমদানিতে ৬ মাসের শুল্ক-কর ছাড়

ঢাকা প্রতিনিধি ||


দেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ আমদানিতে ছয় মাসের জন্য শুল্ক-কর ছাড় দেওয়ার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। সরকারের আশা, এ সুবিধার ফলে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়ন দ্রুত হবে এবং বিদ্যুৎ ঘাটতির চাপ কমাতে সহায়ক হবে।


জাতীয় সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। মন্ত্রিসভা বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তির বরাত দিয়ে বিষয়টি জানিয়েছে একাধিক নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম।


কোন কোন কর ও শুল্কে ছাড়


অনুমোদিত প্রস্তাব অনুযায়ী, নবায়নযোগ্য সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের জন্য আমদানি করা যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশের ক্ষেত্রে ১ শতাংশের বেশি কাস্টমস ডিউটি, সম্পূর্ণ রেগুলেটরি ডিউটি, সম্পূরক শুল্ক, মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট), অগ্রিম কর এবং অগ্রিম আয়কর থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে।


তবে এ সুবিধা স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্থায়ী হবে না। সংশ্লিষ্ট প্রজ্ঞাপন জারির তারিখ থেকে ১৮০ দিন বা ছয় মাস পর্যন্ত এ সুবিধা কার্যকর থাকবে।


বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় সৌরবিদ্যুৎ সম্প্রসারণ


সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই শুল্ক-কর সুবিধার মূল লক্ষ্য হলো সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা দ্রুত বাড়ানো। আমদানি ব্যয় কমলে নতুন সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের ক্ষেত্রে উদ্যোক্তাদের খরচ ও সময়—দুই দিক থেকেই সুবিধা পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।


সরকার আশা করছে, নবায়নযোগ্য উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়লে বিদ্যুতের চাহিদা পূরণে সহায়তা হবে এবং চলমান বিদ্যুৎ সংকটের চাপ কিছুটা কমবে। একই সঙ্গে শিল্পকারখানায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও এটি ভূমিকা রাখতে পারে।


সৌরবিদ্যুৎ খাতে ধারাবাহিক প্রণোদনা


সৌরবিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে সরকার এর আগে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটেও বিভিন্ন ধরনের শুল্ক-কর সুবিধার ঘোষণা দেয়। পরে আমদানির ক্ষেত্রে সুবিধা বাস্তবায়নে জটিলতা দেখা দিলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আগস্টে কাস্টমস কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়।


এনবিআরের নির্দেশনায় সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় প্যানেল, ইনভার্টারসহ সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে কর-শুল্ক সুবিধার আওতায় আনার বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়। এর ফলে আমদানিকারকদের পণ্য খালাসে অপ্রয়োজনীয় জটিলতা কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়।


নবায়নযোগ্য জ্বালানির লক্ষ্যে নতুন পদক্ষেপ


সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদনে নবায়নযোগ্য জ্বালানির অংশ বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনেও আর্থিক প্রণোদনা ও অগ্রাধিকারমূলক ট্যারিফ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।


সরকারের ঘোষিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের মোট বিদ্যুতের অন্তত ২০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের লক্ষ্য রয়েছে। এই লক্ষ্যে ছাদভিত্তিক ও ভূমিভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের পাশাপাশি বায়ু, বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ, জলবিদ্যুৎ ও অন্যান্য প্রযুক্তি ব্যবহারের পরিকল্পনাও রয়েছে।


সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের সরঞ্জাম আমদানিতে ছয় মাসের শুল্ক-কর ছাড়কে তাই নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্প্রসারণ এবং বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় সরকারের চলমান উদ্যোগের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।