ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রদলের কারচুপির অভিযোগ ছাত্ররা ভালোভাবে নিচ্ছেনা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের পর ভোট কারচুপির অভিযোগ ঘিরে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। ছাত্রদলের পক্ষ থেকে অভিযোগ আনা হলেও সাধারণ শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয়-সংশ্লিষ্ট অনেকেই বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবে নিচ্ছেন না।
ছাত্রদল অভিযোগ করেছে, নির্বাচনে তাদের প্রার্থীদের পরাজিত করতে নানামুখী কারচুপি ও অনিয়ম হয়েছে। ভোটকেন্দ্রে এজেন্টদের বের করে দেওয়া, ভোট গণনায় হস্তক্ষেপ এবং প্রশাসনিক পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে তারা পুনর্নির্বাচনের দাবি জানায়।
তবে সাধারণ শিক্ষার্থীদের অনেকেই এই অভিযোগকে গুরুত্ব দিতে নারাজ। তাদের দাবি, ছাত্রদল নির্বাচন শুরুর আগেই ফলাফলের অজুহাত তৈরি করতে চেয়েছিল। অনেকে মনে ক“জনগণযখন নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগকরতে পেরেছে, তখন হঠাৎ কারচুপির অভিযোগ বিশ্বাসযোগ্যমনে হচ্ছে না।”
ক্যাম্পাসে কথা বলে জানা যায়, শিক্ষার্থীদের বড় একটি অংশ মনে করছে নির্বাচন তুলনামূলক শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক হয়েছে। একাধিক শিক্ষার্থী বলেন, অভিযোগের পরিবর্তে ছাত্রদলকে গণতান্ত্রিক প্রতিযোগিতার মাঠে আরও শক্তিশালী প্রস্তুতি নেওয়া উচিত ছিল।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের ফলাফল মেনে নিতে না পেরে ছাত্রদল অভিযোগের পথ বেছে নিয়েছে। তবে জনগণের প্রতিক্রিয়া দেখেই বোঝা যাচ্ছে—এ ধরনের কৌশল ছাত্রদলের জন্য ইতিবাচক কোনো ফল বয়ে আনবে না, বরং ছাত্রসমাজের আস্থা হারানোর ঝুঁকি তৈরি করছে।
ডাকসুর নির্বাচনী ফল ঘিরে কারচুপির অভিযোগ উঠলেও তা শিক্ষার্থীদের বড় অংশের কাছে তেমন গ্রহণযোগ্যতা পাচ্ছে না। বরং অনেকেই মনে করছেন, এ ধরনের অভিযোগ আন্দোলন-সংগঠনকে দুর্বল করে তোলে এবং ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের প্রতি আস্থা কমিয়ে দেয়।