“আত্মসমালোচনা বনাম পরচর্চা”
মোঃ ওমর ফারুক ॥
নিন্দা পরচর্চা সেই করে যার নিজের কোন যোগ্যতা নেই।
বর্তমান যুগে আমরা পরনিন্দাচর্চা বেশি করি নিজের জন্য ভাবি না নিজের দোষ ত্রুটিগুলি আমরা বেশি একটা দেখি না।
পরনিন্দা চর্চা করতে করতে আমরা ভুলে যাই নিজের আলোচনা-সমালোচনা করতে।আত্মসমালোচনা করতে নিজের জন্য একটু সময় নেই আমি কি করছি আমার কি করা উচিত কেন করা উচিত একদমই ভুলে যায় কিন্তু ভুলে যাই না আমার প্রতিবেশী আমার বন্ধু সে কি করছে সব সময় খুঁজে বেড়াই তার দোষ এবং তার খারাপ দিকগুলি। কিন্তু যদি নিজেকে নিয়ে চিন্তা করতাম এবং নিজের সাথে প্রতিবেশীকে তুলনা করে আপন করে নিতাম তাহলে দুজনের জন্যই ভাল হতো।
মানবিক দিক দিয়ে যদি বিবেচনা করেন তাহলে আত্মসমালোচনা করা খুবই ভালো এবং পরনিন্দা পরচর্চা করা আমাদের মানবজাতির জন্য পৃথিবীর জন্য এবং সকলের জন্যই খুবই খারাপ এবং অকল্যাণকর।
ধর্মীয়ভাবে চিনতি চিন্তা করেন যে অন্যের সমালোচনা করা অপরাধ তাহলে যে ধর্মেরই হোক না কেন অন্যের সমালোচনা করা আসলেই জঘন্যতম অপরাধ এবং পাপ সে যে ধর্মেরই হোক।
বর্তমানে পরনিন্দা একটি ভাইরাসের মতো বেদীতে পরিণত হয়েছে যেটা আমাদের সমাজকে আমাদের জাতিকে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ধংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে যা গোটা বিশ্বের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।
যে সব মানুষ অন্য কাউকে নিয়ে বেশি আলোচনা বা চর্চা করে তাদের থেকে সব সময় দূরে থাকুন। কারণ সে যেমন অন্যের কথা আপনাকে বলছে ঠিক তেমনি আপনার কথাও অন্যকে সে বলছে।
নিজের দোষটা মেনে নেওয়া বীরত্বের কাজ। নিজের দোষ অন্যের উপর চাপিয়ে দেওয়া মানে অন্যের উপর অন্যায় করা। তাই কখনো অন্যের দোষ খোঁজার আগে নিজের দিকে তাকান।
নিন্দা এতই জঘন্য যে এটি মানব চরিত্রকে পুরোপুরিভাবে ধ্বংস করতে সক্ষম।
তাই আসুন আমাদের পৃথিবীকে, সমাজকে রক্ষার্থে পরনিন্দা,পরচর্চা বন্ধ করি।
“নিজেকে বদলাতে হবে আগে।”