পেনসিলভানিয়া, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬ | ২৯ চৈত্র, ১৪৩২

সর্বশেষ:
বিএনপি শপথ না নেওয়ায় সংবিধান সংস্কার পরিষদের এখন কী হবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কবে, কীভাবে হবে ৫ বিষয়ে ভিত্তি করে বিএনপির ইশতেহার ৪৬ আসনে বিদ্রোহীদের চাপে বিএনপি ও মিত্ররা জুলাই বিপ্লবীদের ৩৬ দফা অঙ্গীকার ভোটের প্রচারে ফেসবুকে বিএনপির ব্যয় ৩৭ লাখ টাকা, জামায়াতের কত আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ অন্ধকার: ওবায়দুল কাদের বিদ্যুৎ খাতের লুটপাটে জড়িত হাসিনা-নসরুল যে ইশতেহার ঘোষণা করলেন তাসনিম জারা পটুয়াখালী-৪ আসন: বিএনপি-চরমোনাই লড়াইয়ে ফ্যাক্টর আ.লীগের ভোট আসন্ন নির্বাচনে কী ক্ষমতায় আসতে পারে জামায়াতে ইসলামী ইতালি সমর্থন জানালো বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তর ও জুলাই চাটারকে: উপ-প্রতিমন্ত্রী সব আসনেই জয় চায় বিএনপি, চমক দেখাতে প্রস্তুত জামায়াত দেশের প্রধান চ্যালেঞ্জ এখন টিকে থাকা নয় বরং স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক

ভাষাসৈনিক, কবি ও রবীন্দ্রবিশেষজ্ঞ আহমদ রফিক আর নেই

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৬:৩৬ পিএম, ০২ অক্টোবর, ২০২৫

ঢাকা প্রতিনিধি:

ভাষাসৈনিক, কবি, প্রাবন্ধিক ও রবীন্দ্রবিশেষজ্ঞ আহমদ রফিক আর নেই। বৃহস্পতিবার রাত ১০টা ১২ মিনিটে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)


১৯২৯ সালের ১২ সেপ্টেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জন্ম নেওয়া আহমদ রফিক দীর্ঘদিন নিউ ইস্কাটনের গাউসনগরের একটি ভাড়া বাসায় একাই বসবাস করছিলেন। ২০০৬ সালে স্ত্রীকে হারান তিনি। নিঃসন্তান এই ভাষাসৈনিক জীবনের শেষভাগ কাটিয়েছেন একাকীত্বে। তাঁর একমাত্র সম্পদ ছিল বিপুলসংখ্যক ব্যক্তিগত বইয়ের সংগ্রহ।



ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস রচনায় তিনি ছিলেন অন্যতম প্রাবন্ধিক। শতাধিক গ্রন্থ রচনা ও সম্পাদনা করেছেন আহমদ রফিক। বাংলা সাহিত্যে অবদানের জন্য তিনি একুশে পদক, বাংলা একাডেমি পুরস্কারসহ অসংখ্য সম্মাননা লাভ করেন। দুই বাংলার রবীন্দ্রচর্চায় তার ভূমিকা বিশেষভাবে স্বীকৃত। কলকাতার টেগর রিসার্চ ইনস্টিটিউট তাকে ‘রবীন্দ্রতত্ত্বাচার্য’ উপাধি প্রদান করে।



২০১৯ সাল থেকে তার দৃষ্টিশক্তি ক্ষীণ হতে শুরু করে। অস্ত্রোপচার করেও আশানুরূপ ফল পাননি তিনি। ২০২১ সালে পা ভেঙে যাওয়ার পর তার শারীরিক অবস্থা আরও অবনতির দিকে যেতে থাকে। ২০২৩ সাল থেকে তিনি প্রায় সম্পূর্ণ দৃষ্টিহীন ছিলেন। সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে তার অসামান্য অবদান বিবেচনায় দেশের বুদ্ধিজীবীরা তার উন্নত চিকিৎসা ও রাষ্ট্রীয় সহায়তার দাবি তুলেছিলেন।



মৃত্যুর আগে আহমদ রফিক তার দেহ ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতাল মেডিকেল কলেজে দান করে যান—যা তার মানবিক ও জ্ঞানপিপাসু দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন।

মন্তব্যঃ

দুঃখিত, কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি!

নতুন মন্তব্য করুন:

ad
সকল খবর জানতে ক্লিক করুন
ad