অনলাইন, ০৭ অক্টোবর, ২০২৬
বিজ্ঞাপন 728 × 90
সর্বশেষ খবর
অবৈধ করাতকলের দৌরাত্ম্যে বনাঞ্চল ধ্বংসের নীরব মাধ্যম-কতৃপক্ষ নিস্ক্রিয় মৌলভীবাজারে মোবাইল কোর্ট ও উচ্ছেদ অভিযান, ৭টি মামলা পাঠ্যবইয়ের বাহিরে খেলার মাঠে ও থাকছে সমান ভাবে গুরুত্ব; প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বাংলাদেশী নারী হিসেবে এমফিল ডিগ্রী অর্জন করলেন দুর্গাপুরের মুনিরা তাহের বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে কুড়িগ্রামে আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে বিভিন্ন সীমান্তে ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট,প্যান্টপিস ওবিভিন্ন চোরাচালানী মালামালসহ ২ জন আটক সম্পদ সীমিত হলেও শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধায় কার্পণ্য করবে না সরকার: এলজিআরডি মন্ত্রী জনগণের সেবা করাই নির্বাচিত সরকারের প্রধান দায়িত্ব: এলজিআরডি মন্ত্রী নাসিরনগরে স্কুলে অসুস্থ হয়ে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু নওগাঁয় হত্যা মামলায় একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড ভিসা প্রার্থীদের জন্য মার্কিন দূতাবাসের সতর্কবার্তা, প্রতারণা এড়াতে মানতে হবে নতুন নিয়ম বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে বিটিএমএ নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় শিশু অধিকার দিবস ও শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হাওর বেষ্টিত নাসিরনগরে আশ্বিন মাসের কুয়াশা জানান দিচ্ছে আগাম শীতের বার্তা ২৬ অক্টোবর চার দিনের সফরে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
হোম › জাতীয় › “৯০ দশকের অসাধারন কিছু স্মৃতি নিয়ে আমার লেখা”

“৯০ দশকের অসাধারন কিছু স্মৃতি নিয়ে আমার লেখা”

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ০৪:১৩ পিএম, ০৩ মে, ২০২৪ 1980
“৯০ দশকের অসাধারন কিছু স্মৃতি নিয়ে আমার লেখা”

তানজিমা আক্তার

ঠিক কোন স্মৃতি দিয়ে শুরু করব বুঝতে পারছি না তবে শুরুটা হওয়া জরুরি। শুরুটা কি এমন হতে পারে ধরুন আমাদের ৯০ দশকের শৈশবের কিছু স্মৃতি এবং তার প্রতি ভালোবাসা।তবে তাই হোক।

 আমি শুরু করছি আমার কিছু শৈশবের অভিজ্ঞতা নিয়ে যা আশা করছি অনেকের শৈশবের সাথে মিলে যাবে।

  আমাদের বাড়িটা ছিল ঐ সময়ের ঢাকার মধ্যে বিশাল বড় একতালা বাড়ি।বাড়িটির উপরে ছাদের পাশে ছাদ ঘর ছিল সেখানে সন্ধ্যায় জমে উঠত আড্ডা।আর নিচতালায় অনেকগুলো ঘর একসাথে ছিল যেখানে আমরা জেঠা জেঠী ভাই বোনরা একসাথে সবাই ছিলাম।

  আমার বড় জ্যাঠামনির ঘরে একটাই টিভি ছিল সেটাও আবার “সাদাকালো”।যার মধ্যে একটাই চ্যানেল ছিল “বিটিভি”।আমাদের বাসায় আমার বলে কিছু ছিল না সব সময় সবাই বলতাম “আমাদের“এই ছোট্ট শব্দটির মধ্যে অনেক আবেগ লুকিয়ে আছে যা আজ আর খুজেঁ পাওয়া যায় না।

  সেই “সাদাকালো” টিভিতে শুক্রবার হলেই আমরা ভাই বোনেরা অনেক ধরনের অনুষ্ঠান দেখার জন্য অপেক্ষা করতাম এবং একসাথে সবাই দেখতাম এ যেন মিলন মেলা। শুক্রবার হলে আমাদের বাসার সবাই থাকতো সকাল থেকে পুরো বাসা সবার কথায় গুমগুম করত এবং আমরা ছোট ছোট ভাই বোনেরা খুবই খুশি থাকতাম কারণ আমাদের আব্বু,বড় জ্যাঠা,ছোট জ্যাঠা,বড় ভাই সবাই বাসায় থাকতো।

  আমার বড় জ্যাঠা সব সময় অফিস থেকে বাড়ি ফেরার সময় পকেট ভরে “মিমি” নিয়ে আসতেন আমাদের ভাই বোনদের জন্য।সময়ের সাথে এখন মিমির প্যাকেট পরিবর্তন হয়ে গেছে কিন্তু স্মৃতি রয়ে গেছে।বড় জ্যাঠা ঘরে আসলেই আমাদের সাহস বেরে যেত কারন মা পড়াতে বসিয়ে আর কিছু বলতে পারবে না।আমাদের বড়জ্যাঠা আমাদের কাধেঁ করে রাখতেন।আমাদের একটু শব্দ শুনলেই জ্যাঠা বলে উঠতেন “কি হইছেরে আমার জ্যাঠার” আর আমরাও আল্লাদে বড় করে কান্না করে ফেলতাম।সেই স্মৃতিগুলো মনে হলে আজ ও চোখে পানি চলে আসে।

   অনেক স্মৃতি ভরা আমার সেই শৈশব যা ভুলার নয়।আমি আরো ছোট ছোট ৯০ দশকের স্মৃতি সবাইকে মনে করিয়ে দিতে চাই।আমার এই চেষ্টা।