পেনসিলভানিয়া, ০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ | ২৩ মাঘ, ১৪৩২

সর্বশেষ:
৪৬ আসনে বিদ্রোহীদের চাপে বিএনপি ও মিত্ররা জুলাই বিপ্লবীদের ৩৬ দফা অঙ্গীকার ভোটের প্রচারে ফেসবুকে বিএনপির ব্যয় ৩৭ লাখ টাকা, জামায়াতের কত আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ অন্ধকার: ওবায়দুল কাদের বিদ্যুৎ খাতের লুটপাটে জড়িত হাসিনা-নসরুল যে ইশতেহার ঘোষণা করলেন তাসনিম জারা পটুয়াখালী-৪ আসন: বিএনপি-চরমোনাই লড়াইয়ে ফ্যাক্টর আ.লীগের ভোট আসন্ন নির্বাচনে কী ক্ষমতায় আসতে পারে জামায়াতে ইসলামী ইতালি সমর্থন জানালো বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তর ও জুলাই চাটারকে: উপ-প্রতিমন্ত্রী সব আসনেই জয় চায় বিএনপি, চমক দেখাতে প্রস্তুত জামায়াত দেশের প্রধান চ্যালেঞ্জ এখন টিকে থাকা নয় বরং স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক আলিফ হত্যা মামলা: চিন্ময়সহ ৩৯ আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন, বিচার শুরু দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে প্রার্থিতা বহাল: আইনি জটিলতা ও বিতর্কে নির্বাচন বিপিসির এলপিজি আমদানির অনুমোদন, বাজারে স্বস্তির আশা

সমুদ্রের তলদেশ রক্ষা করতে সাবমেরিন ড্রোন চালু করেছে অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ০২:০২ পিএম, ১৫ মে, ২০২৪

সমুদ্রের তলদেশ রক্ষা করছে গোস্ট শার্ক ও মান্তা রে। প্রশ্ন হচ্ছে, এগুলো কি মাছ নাকি অন্য কিছু! ভবিষ্যত মার্ভেল মুভির গল্পের মত শোনাচ্ছে, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে, এটিই প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌ প্রতিরক্ষার ভবিষ্যত হতে পারে।

গোস্ট শার্ক ও মান্তা রে এক ধরনের প্রোটোটাইপ, যা পানির নীচে সাবমেরিন হিসেবে কাজ করবে। তবে এই সাবমেরিন দুটিতে নেই কোন ক্রু বা চালক। এই উন্নত মানের ড্রোন সাবমেরিন যৌথভাবে তৈরি করেছে অস্ট্রেলিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সোমবার (১৩ মে) এক প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদ মাধ্যম সিএনএন নিউজ এ তথ্য জানায়।


বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে সাবমার্সিবলগুলি সমুদ্রের তলদেশে যুদ্ধের ভবিষ্যতকে প্রতিনিধিত্ব করতে পারে, যা মানুষের জীবনের বিপদ কমিয়ে দ্বিগুণ শক্তি প্রয়োগ করার ক্ষমতা রাখে।


সাম্প্রতিক সময়ে, আকাশযুদ্ধে ড্রোনের ব্যবহার এখন সাধারণ ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। ৯০’র দশকে শুরু হওয়া ইরাক ও আফগানিস্তানের সংঘাতের সময় যুক্তরাষ্ট্র ব্যাপকভাবে ব্যবহার করেছিল ড্রোন। এছাড়াও ইউক্রেনে-রাশিয়ার যুদ্ধে উভয়পক্ষের জন্য ড্রোনগুলি অন্যতম সামরিক হার্ডওয়্যার হয়ে উঠেছে।


ইউক্রেনে-রাশিয়ার যুদ্ধে, কিয়েভ নৌ সারফেস ড্রোনও ব্যবহার করেছিল, যা রাশিয়ার ব্ল্যাক সি ফ্লিটের অনেক বড় ও ব্যয়বহুল জাহাজের ভারী ক্ষতি করেছে।


এরিয়াল ও সারফেস সি ড্রোনকে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে আলো ও রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। কিন্তু এগুলো সমুদ্রের গভীরতায় একইভাবে কাজ করে না।


সুইস জার্নাল সেন্সর-এ প্রকাশিত একটি ২০২৩ সালের সমীক্ষায় উল্লেখ করা হয়েছে যে জলের নীচে যোগাযোগের জন্য আরও শক্তির প্রয়োজন হয়। তবে এখনও জলের তাপমাত্রা, লবণাক্ততা এবং গভীরতাসহ বেশ কিছু বিষয় গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করতে হবে।


তবে সামরিক ড্রোনগুলোর নতুন প্রজন্মের নির্মাতারা বলছেন না যে তারা কীভাবে যোগাযোগের সমস্যাগুলি কাটিয়ে উঠবেন। বিশেষকরে, ড্রোনগুলো যখন গভীর সমুদ্রে থাকবে।


তবে অস্ট্রেলিয়া যখন গত মাসে গোস্ট শার্ক উন্মোচন করেছিল, তখন এটি প্রোটোটাইপগুলোকে ‘ সমুদ্রের তলদেশে বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত স্বায়ত্তশাসিত যান” বলে অভিহিত করা হয়।

মন্তব্যঃ

দুঃখিত, কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি!

নতুন মন্তব্য করুন:

ad
সকল খবর জানতে ক্লিক করুন
ad