Columbus, ০৭ অক্টোবর, ২০২৬
বিজ্ঞাপন 728 × 90
সর্বশেষ খবর
ফ্রেন্ডস অ্যান্ড ফ্যামিলির এজিএম অনুষ্ঠিত, গঠিত হলো নতুন কমিটি অবৈধ করাতকলের দৌরাত্ম্যে বনাঞ্চল ধ্বংসের নীরব মাধ্যম-কতৃপক্ষ নিস্ক্রিয় মৌলভীবাজারে মোবাইল কোর্ট ও উচ্ছেদ অভিযান, ৭টি মামলা পাঠ্যবইয়ের বাহিরে খেলার মাঠে ও থাকছে সমান ভাবে গুরুত্ব; প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বাংলাদেশী নারী হিসেবে এমফিল ডিগ্রী অর্জন করলেন দুর্গাপুরের মুনিরা তাহের বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে কুড়িগ্রামে আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে বিভিন্ন সীমান্তে ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট,প্যান্টপিস ওবিভিন্ন চোরাচালানী মালামালসহ ২ জন আটক সম্পদ সীমিত হলেও শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধায় কার্পণ্য করবে না সরকার: এলজিআরডি মন্ত্রী জনগণের সেবা করাই নির্বাচিত সরকারের প্রধান দায়িত্ব: এলজিআরডি মন্ত্রী নাসিরনগরে স্কুলে অসুস্থ হয়ে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু নওগাঁয় হত্যা মামলায় একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড ভিসা প্রার্থীদের জন্য মার্কিন দূতাবাসের সতর্কবার্তা, প্রতারণা এড়াতে মানতে হবে নতুন নিয়ম বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে বিটিএমএ নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় শিশু অধিকার দিবস ও শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হাওর বেষ্টিত নাসিরনগরে আশ্বিন মাসের কুয়াশা জানান দিচ্ছে আগাম শীতের বার্তা
হোম › আন্তর্জাতিক › সমুদ্রের তলদেশ রক্ষা করতে সাবমেরিন ড্রোন চালু করেছে অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র

সমুদ্রের তলদেশ রক্ষা করতে সাবমেরিন ড্রোন চালু করেছে অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ০২:০২ পিএম, ১৫ মে, ২০২৪ 192
সমুদ্রের তলদেশ রক্ষা করতে সাবমেরিন ড্রোন চালু করেছে অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র

সমুদ্রের তলদেশ রক্ষা করছে গোস্ট শার্ক ও মান্তা রে। প্রশ্ন হচ্ছে, এগুলো কি মাছ নাকি অন্য কিছু! ভবিষ্যত মার্ভেল মুভির গল্পের মত শোনাচ্ছে, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে, এটিই প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌ প্রতিরক্ষার ভবিষ্যত হতে পারে।

গোস্ট শার্ক ও মান্তা রে এক ধরনের প্রোটোটাইপ, যা পানির নীচে সাবমেরিন হিসেবে কাজ করবে। তবে এই সাবমেরিন দুটিতে নেই কোন ক্রু বা চালক। এই উন্নত মানের ড্রোন সাবমেরিন যৌথভাবে তৈরি করেছে অস্ট্রেলিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সোমবার (১৩ মে) এক প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদ মাধ্যম সিএনএন নিউজ এ তথ্য জানায়।


বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে সাবমার্সিবলগুলি সমুদ্রের তলদেশে যুদ্ধের ভবিষ্যতকে প্রতিনিধিত্ব করতে পারে, যা মানুষের জীবনের বিপদ কমিয়ে দ্বিগুণ শক্তি প্রয়োগ করার ক্ষমতা রাখে।


সাম্প্রতিক সময়ে, আকাশযুদ্ধে ড্রোনের ব্যবহার এখন সাধারণ ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। ৯০’র দশকে শুরু হওয়া ইরাক ও আফগানিস্তানের সংঘাতের সময় যুক্তরাষ্ট্র ব্যাপকভাবে ব্যবহার করেছিল ড্রোন। এছাড়াও ইউক্রেনে-রাশিয়ার যুদ্ধে উভয়পক্ষের জন্য ড্রোনগুলি অন্যতম সামরিক হার্ডওয়্যার হয়ে উঠেছে।


ইউক্রেনে-রাশিয়ার যুদ্ধে, কিয়েভ নৌ সারফেস ড্রোনও ব্যবহার করেছিল, যা রাশিয়ার ব্ল্যাক সি ফ্লিটের অনেক বড় ও ব্যয়বহুল জাহাজের ভারী ক্ষতি করেছে।


এরিয়াল ও সারফেস সি ড্রোনকে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে আলো ও রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। কিন্তু এগুলো সমুদ্রের গভীরতায় একইভাবে কাজ করে না।


সুইস জার্নাল সেন্সর-এ প্রকাশিত একটি ২০২৩ সালের সমীক্ষায় উল্লেখ করা হয়েছে যে জলের নীচে যোগাযোগের জন্য আরও শক্তির প্রয়োজন হয়। তবে এখনও জলের তাপমাত্রা, লবণাক্ততা এবং গভীরতাসহ বেশ কিছু বিষয় গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করতে হবে।


তবে সামরিক ড্রোনগুলোর নতুন প্রজন্মের নির্মাতারা বলছেন না যে তারা কীভাবে যোগাযোগের সমস্যাগুলি কাটিয়ে উঠবেন। বিশেষকরে, ড্রোনগুলো যখন গভীর সমুদ্রে থাকবে।


তবে অস্ট্রেলিয়া যখন গত মাসে গোস্ট শার্ক উন্মোচন করেছিল, তখন এটি প্রোটোটাইপগুলোকে ‘ সমুদ্রের তলদেশে বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত স্বায়ত্তশাসিত যান” বলে অভিহিত করা হয়।