পেনসিলভানিয়া, ০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ | ২৩ মাঘ, ১৪৩২

সর্বশেষ:
৪৬ আসনে বিদ্রোহীদের চাপে বিএনপি ও মিত্ররা জুলাই বিপ্লবীদের ৩৬ দফা অঙ্গীকার ভোটের প্রচারে ফেসবুকে বিএনপির ব্যয় ৩৭ লাখ টাকা, জামায়াতের কত আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ অন্ধকার: ওবায়দুল কাদের বিদ্যুৎ খাতের লুটপাটে জড়িত হাসিনা-নসরুল যে ইশতেহার ঘোষণা করলেন তাসনিম জারা পটুয়াখালী-৪ আসন: বিএনপি-চরমোনাই লড়াইয়ে ফ্যাক্টর আ.লীগের ভোট আসন্ন নির্বাচনে কী ক্ষমতায় আসতে পারে জামায়াতে ইসলামী ইতালি সমর্থন জানালো বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তর ও জুলাই চাটারকে: উপ-প্রতিমন্ত্রী সব আসনেই জয় চায় বিএনপি, চমক দেখাতে প্রস্তুত জামায়াত দেশের প্রধান চ্যালেঞ্জ এখন টিকে থাকা নয় বরং স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক আলিফ হত্যা মামলা: চিন্ময়সহ ৩৯ আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন, বিচার শুরু দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে প্রার্থিতা বহাল: আইনি জটিলতা ও বিতর্কে নির্বাচন বিপিসির এলপিজি আমদানির অনুমোদন, বাজারে স্বস্তির আশা

সুখবর পেলেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১০:২২ পিএম, ১১ নভেম্বর, ২০২৫

দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৬৫ হাজার ৫০২ জন প্রধান শিক্ষকের বেতনস্কেল দশম গ্রেডে উন্নীত করার বিষয়ে চূড়ান্ত সম্মতি দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

অর্থ বিভাগের বাস্তবায়ন অনুবিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত চিঠি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। এতে সই করেছেন অর্থ বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. মাহবুবুল আলম।

সম্মতিপত্রে বলা হয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও অর্থ বিভাগের ব্যয় ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগের সম্মতির ভিত্তিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৬৫ হাজার ৫০২ জন প্রধান শিক্ষককে বিদ্যমান ১১তম গ্রেড থেকে দশম গ্রেডে উন্নীতকরণে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবে অর্থ বিভাগের সম্মতি প্রদান করা হলো।


নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী, প্রধান শিক্ষকদের বেতন হবে ১৬ হাজার থেকে ৩৮ হাজার ৬৪০ টাকা (গ্রেড-১০), যা পূর্বে ছিল ১২ হাজার ৫০০ থেকে ৩০ হাজার ২৩০ টাকা (গ্রেড-১১)। পদগুলো ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০২৫’ অনুযায়ী পূরণযোগ্য থাকবে।


অর্থ বিভাগের নির্দেশনায় বলা হয়, পদোন্নীত বেতন গ্রেড কার্যকর করতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের গত ৭ অক্টোবরের স্মারক এবং ব্যয় ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগের গত ২৮ জুলাইয়ের শর্তাবলি প্রতিপালন করতে হবে।


পাশাপাশি প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়কে পদ মঞ্জুরি আদেশ (জি.ও) জারি করে তা ব্যয় ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগে পৃষ্ঠাঙ্কন করাতে হবে। এছাড়া সব আনুষ্ঠানিকতা ও বিদ্যমান বিধি-বিধান যথাযথভাবে অনুসরণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে চিঠিতে।


মন্তব্যঃ

দুঃখিত, কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি!

নতুন মন্তব্য করুন:

ad
সকল খবর জানতে ক্লিক করুন
ad