Columbus, ০৭ অক্টোবর, ২০২৬
বিজ্ঞাপন 728 × 90
সর্বশেষ খবর
ফ্রেন্ডস অ্যান্ড ফ্যামিলির এজিএম অনুষ্ঠিত, গঠিত হলো নতুন কমিটি অবৈধ করাতকলের দৌরাত্ম্যে বনাঞ্চল ধ্বংসের নীরব মাধ্যম-কতৃপক্ষ নিস্ক্রিয় মৌলভীবাজারে মোবাইল কোর্ট ও উচ্ছেদ অভিযান, ৭টি মামলা পাঠ্যবইয়ের বাহিরে খেলার মাঠে ও থাকছে সমান ভাবে গুরুত্ব; প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বাংলাদেশী নারী হিসেবে এমফিল ডিগ্রী অর্জন করলেন দুর্গাপুরের মুনিরা তাহের বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে কুড়িগ্রামে আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে বিভিন্ন সীমান্তে ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট,প্যান্টপিস ওবিভিন্ন চোরাচালানী মালামালসহ ২ জন আটক সম্পদ সীমিত হলেও শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধায় কার্পণ্য করবে না সরকার: এলজিআরডি মন্ত্রী জনগণের সেবা করাই নির্বাচিত সরকারের প্রধান দায়িত্ব: এলজিআরডি মন্ত্রী নাসিরনগরে স্কুলে অসুস্থ হয়ে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু নওগাঁয় হত্যা মামলায় একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড ভিসা প্রার্থীদের জন্য মার্কিন দূতাবাসের সতর্কবার্তা, প্রতারণা এড়াতে মানতে হবে নতুন নিয়ম বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে বিটিএমএ নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় শিশু অধিকার দিবস ও শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হাওর বেষ্টিত নাসিরনগরে আশ্বিন মাসের কুয়াশা জানান দিচ্ছে আগাম শীতের বার্তা
হোম › জাতীয় › চট্টগ্রামে ব্যাংকের লকার থেকে প্রায় দেড়শ ভরি স্বর্ণ উধাও

চট্টগ্রামে ব্যাংকের লকার থেকে প্রায় দেড়শ ভরি স্বর্ণ উধাও

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ০১:৪৬ পিএম, ০৩ জুন, ২০২৪ 185
চট্টগ্রামে ব্যাংকের লকার থেকে প্রায় দেড়শ ভরি স্বর্ণ উধাও

চট্টগ্রামের চকবাজার এলাকার ইসলামী ব্যাংকের শাখার লকার থেকে ১৪৯ ভরি স্বর্ণ গায়েব হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে আগামীকাল সোমবার (৩ জুন) আদালতে মামলা করার কথা জানিয়েছেন ভুক্তভোগী রাবেয়া বারী।

ব্যাংকটির চকবাজার শাখার প্রধান এ এম শফিকুল মাওলা চৌধুরী বলেন, ভুক্তভোগী গ্রাহকের অভিযোগটি অভ্যন্তরীণভাবে তদন্ত করা হচ্ছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৩ জুন) তদন্তের অগ্রগতি ভুক্তভোগী গ্রাহককে জানানো হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী, একজন গ্রাহক লকারের কী রাখছেন এবং কতটুকু রাখছেন, সে ব্যাপারে কোনো রেকর্ড রাখা হয় না। শুধুমাত্র আগ্নেয়াস্ত্র ও দাহ্য পদার্থ না রাখার ব্যপারে একটি লিখিত নেয়া হয়।


তিনি আরও বলেন, এ রকম কোনো ঘটনা ঘটে থাকলে ভুক্তভোগী গ্রাহক ইন্স্যুরেন্স কাভারেজ পেয়ে থাকেন। এক্ষেত্রে ছোট লকারের জন্য ১ লাখ টাকা, মাঝারি লকারের জন্য ২ লাখ টাকা ও বড় লকারের জন্য তিন লাখ টাকা পাবেন গ্রাহক। অর্থাৎ, ভুক্তভোগী রাবেয়া প্রায় দেড়শ ভরি স্বর্ণ খুইয়ে পাবেন মাত্র দুই লাখ টাকা। কারণ মাঝারি আকারের লকার ছিল তার।


এর আগে, গত ২৯ মে স্বর্ণ গায়েবের বিষয়টি টের পান বলে জানান ভুক্তভোগী রাবেয়া বারী। পরে এ ঘটনায় চকবাজার থানায় সাধারণ ডায়েরি করতে গেলে বিষয়টি সামনে আসে।


রাবেয়া বারী জানান, গত ১৭ বছর ধরে ইসলামি ব্যাংকের এই শাখার লকারে ১৬০ ভরি স্বর্ণ রাখা ছিল। এর মধ্যে লকারে মাত্র ১১ ভরি স্বর্ণ পান তিনি। চুরি হওয়া স্বর্ণের মধ্যে ৪০ পিস হাতের বালা, গলা ও কানের জড়োয়া সেট, হার, চেইন, আংটি ও কানের দুল ছিল বলেও জানান তিনি।