Columbus, ০৮ অক্টোবর, ২০২৬
বিজ্ঞাপন 728 × 90
সর্বশেষ খবর
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বৈষম্য দূর করে জাতীয়করণের দাবি মার্কিন প্রতিনিধি দলের বেনাপোল স্থলবন্দর পরিদর্শন ফ্রান্সের সঙ্গে উন্নয়ন সহযোগিতা আরও জোরদার করতে চায় বাংলাদেশ: এলজিআরডি মন্ত্রী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ অনুসরণ করে শিশুদের সুনাগরিক হওয়ার আহ্বান এলজিআরডি মন্ত্রীর *ধর্ম-বর্ণ-সম্প্রদায় নির্বিশেষে সবার কল্যাণে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী* ভোগডাঙ্গায় ৫নং ওয়ার্ডে ঘরে ঘরে গণসংযোগে মেম্বার পদপ্রার্থী সিরাজুল ইসলাম নয়ন আমাদের সন্তানদের ফাঁসানো হয়েছে;কুষ্টিয়ায় ডিবির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনে পরিবার। শোকের সাত বছর, এখনো শেষ হয়নি বিচার: আবরার ফাহাদের মৃত্যুবার্ষিকীতে পরিবারের অপেক্ষা নওগাঁয় চালকলের বয়লার বিস্ফোরণে এক শ্রমিক নিহত ফ্রেন্ডস অ্যান্ড ফ্যামিলির এজিএম অনুষ্ঠিত, গঠিত হলো নতুন কমিটি অবৈধ করাতকলের দৌরাত্ম্যে বনাঞ্চল ধ্বংসের নীরব মাধ্যম-কতৃপক্ষ নিস্ক্রিয় মৌলভীবাজারে মোবাইল কোর্ট ও উচ্ছেদ অভিযান, ৭টি মামলা পাঠ্যবইয়ের বাহিরে খেলার মাঠে ও থাকছে সমান ভাবে গুরুত্ব; প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বাংলাদেশী নারী হিসেবে এমফিল ডিগ্রী অর্জন করলেন দুর্গাপুরের মুনিরা তাহের বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে কুড়িগ্রামে আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
হোম › রাজনীতি › জামায়াত আমির নির্বাচনের পদ্ধতি সম্পর্কে যা জানা গেল

জামায়াত আমির নির্বাচনের পদ্ধতি সম্পর্কে যা জানা গেল

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ১২:৩৮ এএম, ০৪ অক্টোবর, ২০২৫ 116
জামায়াত আমির নির্বাচনের পদ্ধতি সম্পর্কে যা জানা গেল

মাওলানা মওদুদীর হাত ধরে প্রতিষ্ঠিত হয় জামায়াতে ইসলামী। প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ও বর্তমান বাংলাদেশে আমির নির্বাচিত হয়েছেন ছয়জন নেতা।

তাদের মধ্যে ১৯৫৬ থেকে ১৯৬০ সাল পর্যন্ত মাওলানা আবদুর রহিম, ১৯৬০ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত এবং ১৯৯২ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত অধ্যাপক গোলাম আযম, ১৯৭৯ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত আব্বাস আলী খান (ভারপ্রাপ্ত), ২০০০ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত মতিউর রহমান নিজামী, ২০১৬ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত মকবুল আহমদ এবং সর্বশেষ ডা. শফিকুর রহমান ২০১৯ ও ২০২২ সালে টানা দুইবারের মতো নির্বাচিত হয়ে এখন পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করছেন।

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের মেয়াদ শেষ হচ্ছে চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসে। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ওই সময়ের মধ্যে নতুন আমির নির্বাচন করবে দলটি।


জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, জামায়াতে ইসলামীর গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কেন্দ্রীয় সংগঠনগুলোর মেয়াদ তিন বছর। এ মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই পরবর্তী তিন বছরের জন্য কেন্দ্রীয় সংগঠনের নির্বাচনগুলো সম্পন্ন হয়।


আমিরে জামায়াত পদে নির্বাচনের পদ্ধতি সম্পর্কে তিনি বলেন, তিন বছর মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে ৪/৫ মাস ধরে অভ্যন্তরীণভাবে একটা প্রস্তুতি নেয় জামায়াত। যখন আমিরে জামায়াত নির্বাচনের সিদ্ধান্ত হয় তখন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা একটা প্যানেল করে। শূরা সদস্যদের গোপন ভোট হয়, সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া তিনজনকে এই প্যানেলে রাখা হয়। এই তিন জনের নাম আমাদের সারা দেশে যত পুরুষ এবং নারী রুকন সদস্য আছেন তাদের জানানো হয়।


তাদের বলা হয়, আগামী তিন বছরের জন্য এই তিন জনের মধ্য থেকে যেকোনো একজনকে আপনি আমিরে জামায়াত পদে ভোট দিতে পারেন। আপনি যদি ভালো মনে করেন তাহলে এর বাইরেও যেকোনো একজনকে ভোট দিতে পারবেন। সেই স্বাধীনতাও একজন রুকনের আছে। রুকনরা তাদের বিবেচনায় ভোট দেন। যিনি সর্বোচ্চ ভোট পান তিনি আমিরে জামায়াত নির্বাচিত হন।


জানা যায়, জামায়াতের বর্তমান আমির ডা. শফিকুর রহমান এই পদে দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব পালন করছেন। নতুন আমির নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থী কারা এ বিষয়ে এ বিষয়ে এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, নির্বাচনের শিডিউল যখন ঘোষণা করা হবে তখন রুকনদের চিঠি দিয়ে জানানো হবে যে, মজলিসে শূরার সদস্যরা গোপন ভোটে এই তিনজনকে প্যানেলের জন্য নির্বাচিত করেছেন। তখনই শুধু এটা রুকনরা জানবেন। এর বাইরে আমরা এটা প্রকাশ করি না। রুকনদের এখনো জানানো হয়নি।


তিনি বলেন, এই নির্বাচনগুলো জামায়াতে ইসলামীর গঠনতন্ত্র অনুযায়ী খুবই স্বাভাবিক একটা প্রক্রিয়া। আমরা এটা সব সময়ই করে আসছি। চরম দুঃসময়েও এটা আমরা করেছি। এখন তো পরিস্থিতি স্বাভাবিক, কোনো অসুবিধা নেই।