পেনসিলভানিয়া, ০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ | ২৩ মাঘ, ১৪৩২

সর্বশেষ:
৪৬ আসনে বিদ্রোহীদের চাপে বিএনপি ও মিত্ররা জুলাই বিপ্লবীদের ৩৬ দফা অঙ্গীকার ভোটের প্রচারে ফেসবুকে বিএনপির ব্যয় ৩৭ লাখ টাকা, জামায়াতের কত আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ অন্ধকার: ওবায়দুল কাদের বিদ্যুৎ খাতের লুটপাটে জড়িত হাসিনা-নসরুল যে ইশতেহার ঘোষণা করলেন তাসনিম জারা পটুয়াখালী-৪ আসন: বিএনপি-চরমোনাই লড়াইয়ে ফ্যাক্টর আ.লীগের ভোট আসন্ন নির্বাচনে কী ক্ষমতায় আসতে পারে জামায়াতে ইসলামী ইতালি সমর্থন জানালো বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তর ও জুলাই চাটারকে: উপ-প্রতিমন্ত্রী সব আসনেই জয় চায় বিএনপি, চমক দেখাতে প্রস্তুত জামায়াত দেশের প্রধান চ্যালেঞ্জ এখন টিকে থাকা নয় বরং স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক আলিফ হত্যা মামলা: চিন্ময়সহ ৩৯ আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন, বিচার শুরু দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে প্রার্থিতা বহাল: আইনি জটিলতা ও বিতর্কে নির্বাচন বিপিসির এলপিজি আমদানির অনুমোদন, বাজারে স্বস্তির আশা

বাংলাদেশ-বিরোধী বিক্ষোভকে ঘিরে দিনভর উত্তাল দিল্লি ও কলকাতা

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১:৫৪ এএম, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫

দিল্লির বাংলাদেশ হাই কমিশন অভিমুখে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলোর ডাকা বিক্ষোভ মিছিলকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার প্রায় সারাদিন উত্তাল হয়ে রইল ভারতের রাজধানী, বিশেষ করে শহরের কূটনৈতিক পাড়া চাণক্যপুরী।

বিক্ষোভকারীদের চাপে পুলিশের ব্যারিকেড ভাঙল, 'বয়কট বাংলাদেশ' বা 'জাস্টিস ফর দীপু দাস' স্লোগান উঠল, মুহাম্মদ ইউনূসের কুশপুত্তলিকা পুড়ল – তবে শেষ পর্যন্ত তারা দূতাবাস ভবন পর্যন্ত পৌঁছতে পারেননি। প্রায় আধা কিলোমিটার দূরেই তাদের থামিয়ে দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ।


বাংলাদেশে ময়মনসিংহের ভালুকায় দীপু চন্দ্র দাস নামে এক হিন্দু যুবকের হত্যার প্রতিবাদ এবং সামগ্রিকভাবে সে দেশে হিন্দু নির্যাতনের প্রতিবাদ জানাতেই এদিনের এই বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ও বজরং দলের মতো বিভিন্ন উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠন।


গত শনিবার রাতেই একদল বিক্ষোভকারী একই ইস্যুতে প্রতিবাদ জানাতে দিল্লিতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রিয়াজ হামিদুল্লাহ্-র বাসভবনের সামনে পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছিলেন। সেই প্রতিবাদ ছিল একেবারেই অঘোষিত ও আচম্বিত।


সে সময় নিরাপত্তা বেষ্টনী ভেদ করে তারা খুব কাছাকাছি চলে যান এবং রাষ্ট্রদূতের প্রাণনাশের হুমকি পর্যন্ত দেন বলে অভিযোগ উঠেছিল।


যদিও রোববার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রীতিমতো বিবৃতি দিয়ে সে অভিযোগ অস্বীকার করেছে, তবে বিষয়টি নিয়ে দুদেশের তিক্ত সম্পর্ক আরও তিক্ততার দিকে গেছে, উত্তেজনার পারদ চড়েছে।


তবে সে দিনের ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়েই হোক বা অন্য যে কোনো কারণে, এদিন বিক্ষোভকারীরা যাতে হাই কমিশন প্রাঙ্গণ অবধি পৌঁছতে না পারেন তার জন্য আজ দিল্লি পুলিশের সক্রিয়তা ছিল চোখে পড়ার মতো।


বেশ কয়েকটি ভাড়া করা বাসে এসে বেশ কয়েকশো বিক্ষোভকারী যখন দিল্লির রিং রোডের কাছে নেমে চাণক্যপুরীর বাংলাদেশ দূতাবাসের দিকে এগোচ্ছিলেন, তখন মোটামুটি পাঁচশো মিটার দূরে দুর্গাবাঈ দেশমুখ রোডের ট্র্যাফিক ক্রসিংয়ে তাদের রুখে দেয় দিল্লি পুলিশ। গোটা অভিযানে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন বাহিনীর ডেপুটি কমিশনার পদমর্যাদার একজন অফিসার।


তবে পুলিশের বাধাতেও বিক্ষোভকারীরা পিছু হঠতে রাজি না হওয়ায় সংঘাত বেশ তীব্র আকার ধারণ করে – লাঠিচার্জ চলতে থাকে, বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কর্মীরা অনেকে পুলিশের দিকে পাল্টা তেড়ে যান, অনেকে রাস্তাতেই বসে পড়ে স্লোগান দিতে থাকেন। অনেকে মুহাম্মদ ইউনূসের কুশপুতুল জ্বালাতে থাকেন।


প্রায় ঘণ্টাদুয়েক ধরে এই অস্থিরতা চলার পর পুলিশ বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে ধরে আটক করে নিয়ে গেলে বেলা বারোটারও পরে দিল্লির কূটনৈতিক পাড়ার পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়।

মন্তব্যঃ

দুঃখিত, কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি!

নতুন মন্তব্য করুন:

ad
সকল খবর জানতে ক্লিক করুন
ad