Columbus, ০৭ অক্টোবর, ২০২৬
বিজ্ঞাপন 728 × 90
সর্বশেষ খবর
অবৈধ করাতকলের দৌরাত্ম্যে বনাঞ্চল ধ্বংসের নীরব মাধ্যম-কতৃপক্ষ নিস্ক্রিয় মৌলভীবাজারে মোবাইল কোর্ট ও উচ্ছেদ অভিযান, ৭টি মামলা পাঠ্যবইয়ের বাহিরে খেলার মাঠে ও থাকছে সমান ভাবে গুরুত্ব; প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বাংলাদেশী নারী হিসেবে এমফিল ডিগ্রী অর্জন করলেন দুর্গাপুরের মুনিরা তাহের বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে কুড়িগ্রামে আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে বিভিন্ন সীমান্তে ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট,প্যান্টপিস ওবিভিন্ন চোরাচালানী মালামালসহ ২ জন আটক সম্পদ সীমিত হলেও শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধায় কার্পণ্য করবে না সরকার: এলজিআরডি মন্ত্রী জনগণের সেবা করাই নির্বাচিত সরকারের প্রধান দায়িত্ব: এলজিআরডি মন্ত্রী নাসিরনগরে স্কুলে অসুস্থ হয়ে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু নওগাঁয় হত্যা মামলায় একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড ভিসা প্রার্থীদের জন্য মার্কিন দূতাবাসের সতর্কবার্তা, প্রতারণা এড়াতে মানতে হবে নতুন নিয়ম বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে বিটিএমএ নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় শিশু অধিকার দিবস ও শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হাওর বেষ্টিত নাসিরনগরে আশ্বিন মাসের কুয়াশা জানান দিচ্ছে আগাম শীতের বার্তা ২৬ অক্টোবর চার দিনের সফরে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
হোম › রাজনীতি › রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ: জুলাই সনদকে কেন্দ্র করে বৈঠক ও জোট গঠনের গুঞ্জন

রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ: জুলাই সনদকে কেন্দ্র করে বৈঠক ও জোট গঠনের গুঞ্জন

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ০৯:১০ এএম, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ 126
রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ: জুলাই সনদকে কেন্দ্র করে বৈঠক ও জোট গঠনের গুঞ্জন

ভোটের দিন ঘনিয়ে আসতেই দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন মেরুকরণের ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে। একদিকে রাজপথে কর্মসূচি, অন্যদিকে আলোচনার টেবিলে মতৈক্যের উদ্যোগ—সব মিলিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে বইছে উত্তাপের হাওয়াহাতিরপুলে ৯ দলের বৈঠক

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর হাতিরপুলের একটি রেস্তোরাঁয় গণতন্ত্র মঞ্চভুক্ত ছয়টি রাজনৈতিক দল এবং সমমনা আরও তিনটি রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা বৈঠকে বসেন। অংশগ্রহণকারী দলগুলো হলো—

গণতন্ত্র মঞ্চের ছয় শরিক জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি, নাগরিক ঐক্য, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, গণসংহতি আন্দোলন, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন ও ভাসানী জনশক্তি পার্টি।

অন্য তিন দল: আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি, গণঅধিকার পরিষদ ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।


এই বৈঠকে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে বিভিন্ন মতবিরোধ নিরসনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে বৈঠকে উপস্থিত কিছু নেতা জানিয়েছেন, পৃথক বৃহত্তর জোট গঠনের বিষয়েও প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে।


জুলাই জাতীয় সনদকে কেন্দ্র করে বিরোধী শিবিরে মতপার্থক্য তীব্র হয়ে উঠেছে। কেউ গণভোট চান, কেউ গণপরিষদ নির্বাচন, আবার কেউ একই দিনে সংসদ ও গণপরিষদ নির্বাচন চান। নির্বাচনী পদ্ধতি নিয়েও দ্বিধা রয়েছে—একদল পিআর পদ্ধতিকে সমর্থন করছে, অন্যরা এর বিরোধী।


বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাসাইফুল হক যুগান্তরকে জানান, “গণ-অভ্যুত্থানের পক্ষ শক্তির মধ্যে মতবিরোধ বাড়ছে। আমরা গণতন্ত্র মঞ্চের পক্ষ থেকে এসব মতদ্বৈততা দূর করতে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে বৈঠক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”


রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামীসহ সাতটি রাজনৈতিক দল অভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে—

• জুলাই সনদের ভিত্তিতে নির্বাচন

• পিআর পদ্ধতি চালু

• নির্বাচনে সব দলের সমান সুযোগ নিশ্চিত

• সরকারের দুর্নীতি ও জুলুমের বিচার

• জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধকরণ


বিশ্লেষকরা বলছেন, এই কর্মসূচির মাধ্যমে বিএনপিকে রাজনৈতিকভাবে চাপে রাখার কৌশল গ্রহণ করা হতে পারে।


সূত্র জানায়, গণতন্ত্র মঞ্চের উদ্যোক্তারা আগামীতে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ ইসলামপন্থী দলগুলোর সঙ্গেও বৈঠকে বসবেন। পাশাপাশি ১২ দলীয় জোট, জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট, সিপিবি, বাসদ, বাসদ (মার্কসবাদী), গণফোরাম, বাংলাদেশ জাসদসহ বামপন্থি দলগুলোর সঙ্গেও মতৈক্য গড়ার চেষ্টা করা হবে।


রাজনৈতিক মহল বলছে, নয়টি দলের আকস্মিক বৈঠক দেশের রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণের আভাস দিয়েছে। নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, বিরোধী শক্তির মধ্যে সমন্বয়ের প্রয়াস তত স্পষ্ট হচ্ছে। তবে এটি নতুন জোটে রূপ নেবে নাকি শুধুই মতভেদ দূর করার উদ্যোগে সীমাবদ্ধ থাকবে, তা সময়ই বলে


ভোটের দিন ঘনিয়ে আসতেই দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন মেরুকরণের ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে। একদিকে রাজপথে কর্মসূচি, অন্যদিকে আলোচনার টেবিলে মতৈক্যের উদ্যোগ—সব মিলিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে বইছে উত্তাপের হাওয়াহাতিরপুলে ৯ দলের বৈঠক


বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর হাতিরপুলের একটি রেস্তোরাঁয় গণতন্ত্র মঞ্চভুক্ত ছয়টি রাজনৈতিক দল এবং সমমনা আরও তিনটি রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা বৈঠকে বসেন। অংশগ্রহণকারী দলগুলো হলো—

গণতন্ত্র মঞ্চের ছয় শরিক জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি, নাগরিক ঐক্য, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, গণসংহতি আন্দোলন, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন ও ভাসানী জনশক্তি পার্টি।

অন্য তিন দল: আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি, গণঅধিকার পরিষদ ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।


এই বৈঠকে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে বিভিন্ন মতবিরোধ নিরসনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে বৈঠকে উপস্থিত কিছু নেতা জানিয়েছেন, পৃথক বৃহত্তর জোট গঠনের বিষয়েও প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে।


জুলাই জাতীয় সনদকে কেন্দ্র করে বিরোধী শিবিরে মতপার্থক্য তীব্র হয়ে উঠেছে। কেউ গণভোট চান, কেউ গণপরিষদ নির্বাচন, আবার কেউ একই দিনে সংসদ ও গণপরিষদ নির্বাচন চান। নির্বাচনী পদ্ধতি নিয়েও দ্বিধা রয়েছে—একদল পিআর পদ্ধতিকে সমর্থন করছে, অন্যরা এর বিরোধী।


বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাসাইফুল হক যুগান্তরকে জানান, “গণ-অভ্যুত্থানের পক্ষ শক্তির মধ্যে মতবিরোধ বাড়ছে। আমরা গণতন্ত্র মঞ্চের পক্ষ থেকে এসব মতদ্বৈততা দূর করতে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে বৈঠক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”


রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামীসহ সাতটি রাজনৈতিক দল অভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে—

• জুলাই সনদের ভিত্তিতে নির্বাচন

• পিআর পদ্ধতি চালু

• নির্বাচনে সব দলের সমান সুযোগ নিশ্চিত

• সরকারের দুর্নীতি ও জুলুমের বিচার

• জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধকরণ


বিশ্লেষকরা বলছেন, এই কর্মসূচির মাধ্যমে বিএনপিকে রাজনৈতিকভাবে চাপে রাখার কৌশল গ্রহণ করা হতে পারে।


সূত্র জানায়, গণতন্ত্র মঞ্চের উদ্যোক্তারা আগামীতে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ ইসলামপন্থী দলগুলোর সঙ্গেও বৈঠকে বসবেন। পাশাপাশি ১২ দলীয় জোট, জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট, সিপিবি, বাসদ, বাসদ (মার্কসবাদী), গণফোরাম, বাংলাদেশ জাসদসহ বামপন্থি দলগুলোর সঙ্গেও মতৈক্য গড়ার চেষ্টা করা হবে।


রাজনৈতিক মহল বলছে, নয়টি দলের আকস্মিক বৈঠক দেশের রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণের আভাস দিয়েছে। নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, বিরোধী শক্তির মধ্যে সমন্বয়ের প্রয়াস তত স্পষ্ট হচ্ছে। তবে এটি নতুন জোটে রূপ নেবে নাকি শুধুই মতভেদ দূর করার উদ্যোগে সীমাবদ্ধ থাকবে, তা সময়ই বলে দেবে।

ধারণ সম্পাদক • :• ।