পেনসিলভানিয়া, ০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ | ২৩ মাঘ, ১৪৩২

সর্বশেষ:
৪৬ আসনে বিদ্রোহীদের চাপে বিএনপি ও মিত্ররা জুলাই বিপ্লবীদের ৩৬ দফা অঙ্গীকার ভোটের প্রচারে ফেসবুকে বিএনপির ব্যয় ৩৭ লাখ টাকা, জামায়াতের কত আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ অন্ধকার: ওবায়দুল কাদের বিদ্যুৎ খাতের লুটপাটে জড়িত হাসিনা-নসরুল যে ইশতেহার ঘোষণা করলেন তাসনিম জারা পটুয়াখালী-৪ আসন: বিএনপি-চরমোনাই লড়াইয়ে ফ্যাক্টর আ.লীগের ভোট আসন্ন নির্বাচনে কী ক্ষমতায় আসতে পারে জামায়াতে ইসলামী ইতালি সমর্থন জানালো বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তর ও জুলাই চাটারকে: উপ-প্রতিমন্ত্রী সব আসনেই জয় চায় বিএনপি, চমক দেখাতে প্রস্তুত জামায়াত দেশের প্রধান চ্যালেঞ্জ এখন টিকে থাকা নয় বরং স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক আলিফ হত্যা মামলা: চিন্ময়সহ ৩৯ আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন, বিচার শুরু দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে প্রার্থিতা বহাল: আইনি জটিলতা ও বিতর্কে নির্বাচন বিপিসির এলপিজি আমদানির অনুমোদন, বাজারে স্বস্তির আশা

৯০ দশকের অসাধারন  কিছু স্মৃতি নিয়ে আমার লেখা “যৌথ পরিবার”

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ০১:৪৩ এএম, ১১ মে, ২০২৪

তানজিমা আক্তার

আমাদের যৌথ পরিবার ছিল। ৯০ দশকে যৌথ পরিবারের সংখ্যা বেশি ছিল যেখানে আনন্দ,মায়া ছিল অফুরন্ত। প্রত্যেকটা পরিবারে দাদা-দাদী পরিবারের গুরুজন থাকেন।আমাদের পরিবারের গুরুজন হলেন বড় জ্যাঠা বড় জেঠি।দাদা-দাদীর সব ভালোবাসা আমরা আমাদের জ্যাঠা জেঠি থেকে পেয়েছি।একবার বড় জ্যাঠামনি আমাদের বাসায় "টিএনটি"ফোন নিয়ে এলেন আমরা সবাই এত খুশি আমাদের বাসায় ফোন এসেছে।একটা লাল রঙের ফোন ছিল।সেই ৯০ দশকের টিএনটি ফোন আজ শুধু স্মৃতি।তখন কেউর বাসায় একটা ফোন থাকলে এলাকার সবাই ফোন করতে আসত।কারন সবার বাসায় ঐ সময় ফোন ছিল না আর এখন তো সবার হাতে হাতে ফোন তাই সেই সময়ের সেই আবেগ এখন আর কেউ বোঝেনা।স্মৃতি হয়ে রইল আমাদের বাসার সেই টিএনটি ফোনটা….আমাদের বড় জ্যাঠামনি সব সময় সবাইকে নিয়ে একসাথে বসে খাওয়া-দাওয়া করতে পছন্দ করতেন।উনি অল্প কিছু নিয়ে আসলেও সবাই কে ডেকে আনতেন।রমজানের ঠিক আগে আমার বড় জ্যাঠা ডাইনিং টেবিল তুলে রেখে দিতেন কারণ ইফতারি এবং সেহরি সবাই একসাথে পাটিতে বসে করতাম।ছোট ছোট জিনিসগুলো অনেক আনন্দ দিত আমাদের।ঈদের সময় তো আমাদের আনন্দের শেষ ছিল না।আমাদের সময় চাঁদ রাত মানে ছিল ভাই বোনদের মিলন মেলা।ঈদের আগের দিন আমি আর আমার বোন এলাকার কোন এক বাসার মেহেদী গাছ থেকে মেহেদী পেরে আনতাম।সেই মেহেদী বেটে রাখা হত।আমরা কোন রকম মাগরিব আজান দিলেই সাদে চলে যেতাম চাঁদ দেখতে।চাঁদ উঠলেই সেই মেহেদী দেওয়া শুরু হয়ে যেত কাটি দিয়ে।আমার বড় বোন আমাকে মেহেদী দিয়ে দিত।

আমরা সবাই একসাথে ঈদের অনুষ্টান দেখতাম।সেই সময় আমরা খবরের কাগজ থেকে কি কি দেখবো তার সময়সুচি কেটে রাখতাম।আমাদের জ্যাঠা জ্যাঠীরা সোফায় বোসতেন আর আমরা ভাই বোনেরা সবাই নিচে বসতাম।হয়তো একটাই হাসির নাটক দেখতাম সবাই মিলে কিন্তু কত যে আনন্দ ছিল সেই দেখায় তা ভাষায় বোঝানো যাবে না।আমাদের ছোট জ্যাঠা ছোট জ্যাঠী আমাদের সবার জন্যে ঈদের জামা আনতেন।আমরা ও লুকিয়ে রাখতাম।সবাই শুধু মা-বাবার বিশেষ করে বাবা ঈদের নামাজ পড়ে এসে সালামি দিবেন সেই অপেক্ষায় থাকেন।কিন্তু আমরা সব ভাই বোনরা আমাদের বড় জ্যাঠামনি,ছোটজ্যাঠা মনির এবং আব্বুর জন্যে অপেক্ষায় থাকতাম।আমাদের জ্যাঠারা নতুন টাকার বান্ডিল নিয়ে আসতেন।সবাইকে দিতেন।পরিবারের একজনের কষ্টে সবাই কষ্ট পেতাম তেমনি সবার সুখে সবাই সুখ পেতাম। এরই নাম যৌথ পরিবার। চলবে……

মন্তব্যঃ

Afrin বলেছেন, ০১:৫৮ এএম, ১১ মে, ২০২৪

Very good writing.. Feeling nostalgia ❤️

নতুন মন্তব্য করুন:

ad
সকল খবর জানতে ক্লিক করুন
ad